ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠনের পথে জার্মানি

Printed Edition

ডয়েচে ভেলে

রাশিয়ার অব্যাহত হুমকির মুখে সামরিক সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা ব্যয় দ্রুত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বোরিস পিস্টোরিউস গত শনিবার জার্মানির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নিউবিবার্গে সশস্ত্রবাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানিয়েছেন।

সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিস্টোরিউস বলেন, ‘নিরাপত্তা হুমকির কারণে আমরা আরো বেশি অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য হচ্ছি। আর এই হুমকি যে রাশিয়ার দিক থেকে আসছে, তা বারবার জোর দিয়ে বলতে হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের প্রক্রিয়া দ্রুত করছি, কারণ এটি এখন সবচেয়ে বেশি জরুরি। যেসব সেনা আমাদের প্রতিরক্ষার দায়িত্বে রয়েছেন এবং পরিস্থিতি গুরুতর হলে যারা আমাদের রক্ষা করবেন, তাদের সেরা সরঞ্জাম ও উন্নত প্রশিক্ষণ প্রাপ্য। আমরা এ বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছি।’

ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতায় জার্মানি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করতে চায় বলে জোর দেন পিস্টোরিউস। তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করছি এবং সবাই মিলে কাজ করছি যাতে প্রতিরক্ষা তহবিল কার্যকর ও দ্রুততার সাথে ব্যয় করা যায়। এর মাধ্যমে আমাদের সশস্ত্রবাহিনী সম্পূর্ণ প্রতিরোধ সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে এবং ইউরোপে ন্যাটোর সবচেয়ে বড় অংশীদার হিসেবে জোটের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় অন্যদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করতে পারবে।’

এর আগে গত এপ্রিলে জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাশিয়াকে প্রতিহত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০৩৯ সালের মধ্যে ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রচলিত সেনাবাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জার্মানি।