আগামী শনিবার পৃথিবীর পাশ দিয়ে নিরাপদ দূরত্বে একটি বিশাল গ্রহাণু অতিক্রম করবে। ছোট দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা শক্তিশালী বাইনোকুলার ব্যবহার করে আকাশপ্রেমীরা এটি দেখতে পারবেন বলে জানিয়েছে উউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা।
প্যারিস থেকে এএফপি জানায়, সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার গ্রিনিচ সময় ১১টা ১৪ মিনিটে গ্রহাণুটি পৃথিবীর প্রায় ২৫ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটারের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করবে। এ দূরত্ব পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার দূরত্বের ছয় গুণেরও বেশি।
‘(১৫২৬৩৭) ১৯৯৭ এনসি১’ নামের এই গ্রহাণুটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় নয় কিলোমিটার বেগে চলবে। তবে এটি পৃথিবীর জন্য কোনো হুমকি নয়, কারণ এর সাথে সংঘর্ষের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করা হয়েছে।
১৯৯৭ সালে আবিষ্কৃত গ্রহাণুটির প্রস্থ আনুমানিক ৭৫০ মিটার থেকে এক হাজার ৬৫০ মিটারের মধ্যে হতে পারে। সূর্যালোক প্রতিফলনের পরিমাণ বিশ্লেষণ করে এ হিসাব করা হয়েছে।
তবে অন্যান্য কিছু অনুমান অনুযায়ী এর আকার আরো ছোট হতে পারে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা।
ইএসএ’র প্ল্যানেটারি ডিফেন্স অফিসের কর্মকর্তা হুয়ান লুইস কানো বলেন, ‘এত বড় আকারের কোনো বস্তুর পৃথিবীর এত কাছে আসা সাধারণত কয়েক বছর পরপর একবার ঘটে। তবে এবার কাছাকাছি অবস্থানের সময় উজ্জ্বল চাঁদের আলো পর্যবেক্ষণে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করতে পারে।’
আকাশ পর্যবেক্ষকদের জন্য গ্রহাণুটি উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসার সময় দেখা যাবে। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে এটি প্রায় বিশ্বের অধিকাংশ স্থান থেকেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। পরে দূরে সরে যাওয়ার সময় এটি মূলত দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে দেখা যাবে।
তবে পর্যবেক্ষণ সফল হবে কি না, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার আকাশ পর্যাপ্ত অন্ধকার থাকার ওপর। বাসস



