ফিলিস্তিনি অবরুদ্ধ গাজায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইল ২১ হাজার ৫০০- এর বেশি ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে। এছাড়া গাজা উপত্যকার এক হাজার ২৭৫ মসজিদের মধ্যে এক হাজার ২৪৪টিতে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী।
সোমবার (২৪ আগস্ট) গাজা উপত্যকার সরকারি গণমাধ্যম দফতর এ তথ্য জানিয়েছে।
দফতরটি বলেছে, গাজায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক নাগরিক, বাড়িঘর ও উপাসনালয়গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এ অঞ্চলের এক হাজার ৭৭টি মসজিদ পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে।
গণমাধ্যম দফতর বেসামরিক নাগরিক, শিশু ও উপাসনালয়গুলোতে ক্রমাগত হামলার নিন্দা জানিয়েছে। এছাড়াও ইসরাইলকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন বন্ধ করতে এবং চুক্তিটি সম্পূর্ণরূপে মেনে চলতে চাপ দেয়ার জন্য মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দফতরটি।
নতুন করে গাজায় হামলা বাড়ানোর ইসরাইলি হুমকির মধ্যেই এই বিবৃতিটি দেয়া হলো।
গাজা থেকে ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি পাঠানোর কারণে রোববার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ গুপ্তহত্যা বাড়ানো এবং আবাসিক এলাকা খালি করার হুমকি দিয়েছেন।
গত শনিবার ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল যে, গাজার কাছে উদ্ধার করা চারটি ঘুড়িতে কোনো সন্দেহজনক উপাদান ছিল না এবং সেগুলো জনসাধারণের জন্য কোনো বিপদ সৃষ্টি করেনি। তা সত্ত্বেও এই সতর্কতা জারি করা হয়।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া নৃশংস অভিযানে ইসরাইলি সেনাবাহিনী ৭৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা এবং এক লাখ ৭৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে আহত করেছে।
সূত্র : আনাদোলু অ্যাজেন্সি



