পেরুর রাজধানী লিমার একটি নিম্ন আয়ের আবাসিক এলাকায় আগুন লেগে শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে দু‘টি বাড়ি পুড়ে গেছে। বুধবার (২২ জুলাই) দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা (ইনডেসি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, এ ঘটনায় আরো দু’জন আহত হয়েছেন।
মৃতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, তাদের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পাঁচজন শিশু।
পুলিশ প্রধান অস্কার আরিওলা জানান, মৃতদের মধ্যে একই পরিবারের নয়জন সদস্য রয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন অপ্রাপ্তবয়স্ক।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আগুনের সূত্রপাত কোথায়, কী পরিস্থিতিতে এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
পেরুর গণমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে চাঁদা দাবি করে আসা দুর্বৃত্তরাই আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে।
তদন্তের দায়িত্বে থাকা কর্নেল জন লুজান বলেন, পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো অথবা চাঁদাবাজির ঘটনার সাথে এর সংশ্লিষ্টতার আশঙ্কাও তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বেঁচে যাওয়া গিনা ভিলচেজ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের এবং সন্তানদের প্রাণ রক্ষা করতে পেরেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা মোট ১৭ জন ছিলাম। ১০ জন মারা গেছে। আর আমরা সাতজন বেঁচে গেছি।’
এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা আগুনে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টার ছবি ও ভিডিও গণমাধ্যমকে দেখান।
পেরুর নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি এ মৃত্যুর ঘটনাকে ‘ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানুষ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা চায়। আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব নিয়েই সেটিই হবে আমাদের প্রথম কাজ।’
সূত্র: বাসস



