বিশেষায়িত অঞ্চলের রফতানিকারকরা পাচ্ছেন এফসি-টাকা সোয়াপ সুবিধা

‘এই সুবিধার আওতায় রফতানিকারকরা তাদের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত না ভাঙিয়েই শ্রমিকদের মজুরি, ইউটিলিটি বিলসহ স্থানীয় পরিচালন ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় টাকার তারল্য সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক |সংগৃহীত

দেশের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে কার্যরত রফতানিকারকদের স্বল্পমেয়াদি টাকার তারল্য নিশ্চিত করতে এবং একইসাথে তাদের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিত অর্থ সংরক্ষণের সুযোগ দিতে বৈদেশিক মুদ্রা (এফসি)-টাকা সোয়াপ সুবিধা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে বিশেষায়িত অঞ্চলের রফতানিকারকদের এই সুবিধা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, এই সুবিধার আওতায় রফতানিকারকরা তাদের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত না ভাঙিয়েই শ্রমিকদের মজুরি, ইউটিলিটি বিলসহ স্থানীয় পরিচালন ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় টাকার তারল্য সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।

এই সুবিধা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড), বেসরকারি রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (পিইপিজেড), অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) এবং হাই-টেক পার্কে (এইচটিপি) পরিচালিত রফতানিকারকদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন এ নির্দেশনার মাধ্যমে ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর জারি করা এফই সার্কুলার নং-৪১-এর আওতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ওই সার্কুলারের অধীনে কেবল ৩০ দিনের পুল এবং এক্সপোর্ট রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবের স্থিতির বিপরীতে এফসি-টাকা সোয়াপ সুবিধা দেয়া হতো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরো জানায়, ২০২৫ সালের ১ জুলাই জারি করা এফই সার্কুলার নং-৩১ অনুযায়ী বিশেষায়িত অঞ্চলের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যে বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব পরিচালনার অনুমতি দেয়া হয়েছিল, নতুন এই সোয়াপ সুবিধা সেই হিসাবগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পূর্ববর্তী সার্কুলারগুলোর অন্যান্য সব বিধান অপরিবর্তিত থাকবে। বাসস