২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩০, ১৩ জিলহজ ১৪৪৫
`

ভাগ্যের কাছেই হেরেছে বাংলাদেশ

ভাগ্যের কাছেই হেরেছে বাংলাদেশ - ছবি : সংগৃহীত

গত রাতটা হতে পারতো বাংলাদেশের। লেখা হতে পারতো প্রোটিয়া বধ গল্প। সেমতেই এগোচ্ছিল টাইগাররা, একটা সময় পেতে শুরু করে জয়ের সুবাতাস। কিন্তু এরপরই যেন বদলে যায় সবকিছু, খুব কাছে গিয়েও হতে হয় হতাশ। ভাগ্যের কাছে হেরে যায় বাংলাদেশ।

সোমবার বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের খুব কাছে গিয়েও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে পাল্লা দিলেও শেষ মুহূর্তে হেরে যায় মোটে ৪ রানে।

বাংলাদেশ ম্যাচটা হেরে যায় যদিও, তবে আলোচনার খোরাক দিয়ে গেছে। জন্ম দিয়েছে অনেক ‘যদি-কিন্তু’র। একটু এদিক সেদিক হলেই বলা যায়- ভাগ্য সায় দিলেই ভিন্ন হতে পারতো গল্পটা। ম্যাচ শেষ হবার পর থেকেই সমর্থক থেকে ক্রিকেটাররা, এমনকি প্রতিপক্ষও বলছে একই কথা।

মাহমুদউল্লাহর প্যাডে বল লেগে সীমানা স্পর্শ করলেও ৪ না হওয়া, তাওহীদ হৃদয়ের ভুল আউটের সিদ্ধান্ত কিংবা মাহমুদউল্লাহর সমীকরণ মেলানো শট ছক্কা না হওয়া; সবই যেন বাংলাদেশের দুর্ভাগ্যের গল্পই বলা যায়।

প্রতিপক্ষ অধিনায়ক এইডেন মার্করামও মেনে নিয়েছেন এই কথা, স্পষ্টই বলেছেন ভাগ্য তাদের অনুকূলে ছিলো। ম্যাচের পর তিনি বলেন, কিছু জিনিস আজ আমাদের অনুকূলে থেকেছে এবং আমরা খুব ভাগ্যবান ছিলাম যে জয়টা আমাদের পক্ষে এসেছে।

বাংলাদেশের ভাগ্য বিভ্রম নিয়ে বিস্তারিত বলেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও বোর্ড প্রধান রমিজ রাজা। বাংলাদেশের হেরে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি তাওহীদ হৃদয়ের আউটকেও দায়ী করছেন। তার দাবি- এই আউট বাংলাদেশকে দুর্ভাগ্য এনে দিয়েছে।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য আনন্দের এবং বাংলাদেশের জন্য হতাশার মুহূর্ত ছিল হৃদয়ের আউট হয়ে যাওয়া। সে দারুণ ব্যাট করছিল। সে সহজাত প্রতিভাও বটে। ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে।

‘কিন্তু রাবাদার বলে তাকে এমন একটি আউট দিয়ে দিয়েছে আম্পায়ার, যেটি না দিলেও পারত। ওই আউট নাও হতে পারত। সেটা ছিল আম্পায়ার্স কল এবং বল লেগেছে অনেক ওপরে। এরপর লেগ সাইড দিয়ে বল চলেও যাচ্ছিল। মনে হচ্ছে ভাগ্যও বাংলাদেশের পক্ষে ছিল না।’ যোগ করেন রমিজ।

পাকিস্তানি এই কিংবদন্তী আরো বলেন, ‘কেশব মহারাজ শেষ ওভারে মাহমুদউল্লাহকে ফুলটস করেছিল, বাংলাদেশের একটি স্মরণীয় জয়ের জন্য একটি ছক্কা হলেই হতো। কিন্তু কী হলো? দুই ফুট দূরত্বে থেকে আউট হয়ে গেল সে।’

 


আরো সংবাদ



premium cement