১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০, ০৩ শাওয়াল ১৪৪৫
`

কক্সবাজারে বন কর্মকর্তা হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

-

কক্সবাজারের উখিয়ায় সংরক্ষিত বনের পাহাড় কেটে মাটি পাচারকালে আটকানোর চেষ্টার সময় ড্রাম্প ট্রাকের চাপায় বনবিট কর্মকর্তাকে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বন কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ পরিবেশ ও বন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতিনিধিরা।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার শহীদ সরণীস্থ বনবিভাগীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এমন দাবি জানানো হয়।
আয়োজিত মানববন্ধনে কক্সবাজার চলাচলকারী অবৈধ ড্রাম্প ট্রাক বন্ধ করার দাবিও জানানো হয়।
পাঁচ শতাধিক বনকর্মীর উপস্থিতিতে আয়োজিত মানববন্ধনের শুরুতে নিহতের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এতে বক্তারা বলেন, কক্সবাজারে সংঘবদ্ধ চক্র বেপরোয়াভাবে পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছে। এ সঙ্ঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানে ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে বিট কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। এতে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগীয় কর্মকর্তা মো: সরওয়ার আলম, উত্তর বনবিভাগীয় কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সরকার, কক্সবাজার সুশীল সমাজের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: মুজিবুল ইসলাম, কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপুসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। গত রোববার ভোরে উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হরিণমারা এলাকায় পাহাড় কেটে মাটি পাচার করছিল একদল বনদস্যু। খবর পেয়ে বনবিভাগের দোছড়ি বিটের কর্মকর্তা মো: সাজ্জাদুজ্জামানসহ (৩০) কয়েকজন বনকর্মী ঘটনাস্থলে যান। এ সময় তিনিসহ মোটরসাইকেল আরোহী দুজনকে পাচারকারীদের মাটিভর্তি ড্রাম্প ট্রাক চাপা দেয়। এতে সাজ্জাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে মারা যান এবং মোহাম্মদ আলী নামের এক বনরক্ষী আহত হন। নিহত মো: সাজ্জাদুজ্জামান (৩০) কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জের দোছড়ি বনবিটের বিট কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন। তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলার গজরিয়া উপজেলার মোহাম্মদ শাহজাহানের ছেলে।

ঘটনায় আহত বনরক্ষী মোহাম্মদ আলী (২৭) টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ঝিমংখালী এলাকার আবুল মঞ্জুরের ছেলে। এ ঘটনায় উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: শফিউল আলম বাদি হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার আসামিরা হলো উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের পশ্চিম হরিণমারা এলাকার মোহাম্মদ কাশেমের ছেলে ও ড্রাম্প ট্রাকটির চালক মো; বাপ্পী (২৩), একই এলাকার সুলতান আহম্মদের ছেলে ছৈয়দ আলম ওরফে কানা ছৈয়দ (৪০) ও তার ছেলে মো: তারেক (২০), রাজাপালং ইউনিয়নের তুতুরবিল এলাকার নুরুল আলম মাইজ্জার ছেলে হেলাল উদ্দিন (২৭), হরিণমারা এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে ছৈয়দ করিম (৩৫), একই এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে আনোয়ার ইসলাম (৩৫), আব্দুর রহিমের ছেলে শাহ আলম (৩৫), হিজলিয়া এলাকার ঠাণ্ডা মিয়ার ছেলে মো: বাবুল (৫০), একই এলাকার ফরিদ আলম ড্রাইভারের ছেলে মো: রুবেল (২৪) এবং হরিণমারা এলাকার শাহ আলমের ছেলে কামাল উদ্দিন ড্রাইভার (৩৯)। ইতিমধ্যে মামলায় গ্রেফতার হয়েছে, এজাহারভুক্ত পাঁচ নম্বর আসামি ছৈয়দ করিম (৩৫)। জব্দ করা হয়েছে ড্রাম্প ট্রাকটিও। উখিয়া থানার ওসি শামীম হোসেন বলেন, মামলার অপর আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরো সংবাদ



premium cement
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বানারীপাড়ায় বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত স্ত্রীকে গোশত কিনে দিতে না পেরে চিরকুট লিখে আত্মহত্যা নাটোরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঢাকায় ইসরাইলি দুটি বিমানের অবতরণ : গভীর উদ্বেগ জামায়াত সেক্রেটারির পদ্মায় নিখোঁজ ২ জনের লাশ উদ্ধার, সন্ধান মেলেনি একজনের ছেলের নাটোরে ট্রাকচাপায় নারী নিহত সৌদীতে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ গেল প্রবাসীর ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ হবে : রেলমন্ত্রী সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশকে পরাধীন করে রেখেছে : মির্জা ফখরুল পদ্মায় গোসলে নেমে বাবা-ছেলেসহ নিখোঁজ ৩

সকল