২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫
`
চট্টগ্রাম চেম্বারে জেটরো প্রতিনিধিদল

২ বছরের মধ্যে জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্টের আশাবাদ

-

চট্টগ্রাম চেম্বার এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেটরো) মধ্যে বিজনেস টু বিজনেস মিটিং গতকাল সোমবার দুপুরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজের সভাপতিত্বে সহসভাপতি রাইসা মাহবুব, জেটরোর ঢাকাস্থ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিটিভ ইউজি অ্যান্ডো, চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, মোহাম্মদ আকতার পারভেজ এবং ওমর মুক্তাদির বক্তব্য রাখেন। অন্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালক মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম ও চেম্বার সেক্রেটারি ইনচার্জ প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন-জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু। দেশের বর্তমান অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বিনিয়োগ রয়েছে জাপানের। এর মধ্যে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ, ঢাকা মেট্রোরেল এবং শাহজালাল বিমান বন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল অন্যতম। জাপানি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহায়তা করতে চট্টগ্রাম চেম্বার জাপান ডেস্ক চালু করেছে। চট্টগ্রাম চেম্বার আগামী বছর ‘বে অব বেঙ্গল গ্রোথ সামিট’ আয়োজনের পরিকল্পনা নিচ্ছে এবং চেম্বার থেকে একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল জাপান সফর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
জেটরোর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউজি আন্দো শুরুতেই চট্টগ্রাম চেম্বারের নতুন নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বে জাপানের বিভিন্ন বিনিয়োগ ও জাপানি কোম্পানির বিনিয়োগের তথ্যচিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন-নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ৪০টি বিদেশী প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে পাঁচটি কোম্পানির সাথে ভূমি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে স্থানীয় বাজারের জন্য পণ্য তৈরি করা হবে। চট্টগ্রামের ইপিজেডেই প্রথম জাপানি বিনিয়োগে কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। জাপানি বিনিয়োগকারীরা সাপ্লাই চেইন ঠিক রেখে শিল্প স্থাপন করে। তাই তারা চট্টগ্রামের মিরসরাই এবং মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরকে কেন্দ্র করে গড়ে তুলতে চায় রফতানিতমুখী বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান। তিনি আরো বলেন-জাপানি বিনিয়োগকারীরা আশা করেন আগামী দুই বছরের মধ্যে জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) সম্পন্ন হবে। এ ছাড়া কাস্টমস কিয়ারেন্স প্রসিডিউরের জটিলতা সহজতর করা গেলে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আরো বেশি আগ্রহী হবে। চেম্বার সভাপতির বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বছর জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘বে অব বেঙ্গল গ্রোথ সামিট’ আয়োজনে সহযোগিতার কথা জানান ইউজি আন্দো।


আরো সংবাদ



premium cement