সব সম্প্রদায়ের ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন ভাঙ্গতে নানা শক্তি অপচেষ্টায় লিপ্ত : রিজভী

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের এই মৃত্তিকার গভীরে রয়েছে আমাদের সম্প্রীতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আমাদের ভ্রাতৃত্ব। আমরা একে অপরের সাথে আদান-প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেকেই একটি জাতিসত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি।

অনলাইন প্রতিবেদক
হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ কল্যাণ পরিষদের নেতাদের সাথে নিয়ে জিয়া উদ্যানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ কল্যাণ পরিষদের নেতাদের সাথে নিয়ে জিয়া উদ্যানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী |সংগৃহীত

দেশে যুগ যুগ ধরে মুসলিম হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধসহ সব সম্প্রদায়ের মধ্যে থাকা ভ্রাতৃত্বের অটুট মেল বন্ধন ভেঙে দেয়ার জন্য নানা শক্তি অপচেষ্টা চালায় বা লিপ্ত বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার সকালে হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ কল্যাণ পরিষদের নেতাদের সাথে নিয়ে জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে তিনি এ কথা বলেন। নতুন করে হিন্দু খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্ট হওয়ায় নেতারা মাজারে ফুল দিতে আসেন।

তিনি বলেন, যুগ যুগ ধরে আমরা সকলে ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে কাজ করি, একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অবস্থান করি এবং আমাদের সম্প্রীতি রক্ষা করি। সম্প্রীতির এই অটুট বন্ধন যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে; এটি চর্চিত ও লালিত হবে। এটি সম্ভব হয়েছে জাতীয়তাবাদ চেতনার কারণে বলে জানান রিজভী।

তিনি বলেন, আমাদের এই মৃত্তিকার গভীরে রয়েছে আমাদের সম্প্রীতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আমাদের ভ্রাতৃত্ব। আমরা একে অপরের সাথে আদান-প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেকেই একটি জাতিসত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি। আর এই জাতিসত্তার একটি দার্শনিক রূপ দিয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান- ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’। এই কাঠামোর মধ্যে, এই ডালির মধ্যে, এই একটি পাত্রের মধ্যে প্রতিটি ধর্ম, সম্প্রদায় এবং প্রতিটি নৃগোষ্ঠীর মানুষের আসন রয়েছে; প্রত্যেকেরই এখানে জায়গা আছে। প্রত্যেকেই নিজে গর্বভরে বলতে পারে যে, ‘আমরা বাংলাদেশী।’ এই গর্বভরে বলার দার্শনিক যে তত্ত্ব, সেটি শহীদ প্রেসিডেন্ট দিয়েছেন। সব মিলিয়ে আমাদের যে চমৎকার ফুলের ডালাটি রয়েছে, তা আমরা রক্ষা করব এবং এগিয়ে নিয়ে যাব।