রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা: আনম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) এভার কেয়ার হাসপাতালে রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে যান।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে স্যারকে (রফিকুল ইসলাম মিয়া) দেখতে এসেছি।’
তিনি বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে তার চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। প্রধানমন্ত্রী উনার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করেছেন এই বার্তা স্যারকে পৌঁছে দিয়েছি।’
মনোয়ারুল কাদির বলেন, ‘দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্বের অসুস্থতার সংবাদে প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার নির্দেশনায় সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সাথে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতিও আন্তরিক সহমর্মিতা জানিয়েছি।’
কয়েকদিন আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন।
২০১৮ সাল থেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী আছেন রফিকুল ইসলাম মিয়া।
মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়াসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত সাবেক এ মন্ত্রী। তার স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাহিদা রফিক বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। গত বছরের ২ মার্চে তিনি মারা যান।
এভারকেয়ার হাসপাতালে ডা: জিয়াউল হকের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন রফিকুল ইসলাম মিয়া।
এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার করা হলে, তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে সাহসিকতার সাথে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। সূত্র : বাসস



