জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে গাইবান্ধার সাঘাটায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক ইউনিয়ন সভাপতিকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
একই সাথে তিনি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
সোমবার (২২ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১২তম দিনে এ দাবি করেন বিরোধী দলের এই সংসদ সদস্য।
এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি এই বক্তব্যকে ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ বহির্ভূত হিসেবে উল্লেখ করে বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নোটিশ দেয়ার পরামর্শ দেন।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান দেশের চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, গতকাল গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নে একটি স্কুলের কমিটিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন সভাপতিকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নামে মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঠেকাতে এবং পরিস্থিতি মীমাংসা করতে ওই ছাত্র সেখানে গিয়েছিল। কিন্তু সেখানে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় হুইপ বলেন, ‘আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। খুনিরা কোনো দলের নয়, খুনিরা শুধুই খুনি। সে যে দলেরই হোক না কেন, তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।’
বক্তব্যের শুরুতে তিনি বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত গণমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রতিবেদন এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে এক এমপির পুত্রের গ্রেফতার ও মুচলেকায় মুক্তির প্রসঙ্গও টেনে আনেন।



