হামলায় আহত অধ্যাপক আসাদকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

‘চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের বড় অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রী সাথে কথা বলে প্রতিটি উপজেলায় ১০ জন করে অস্ত্রধারী আনসার এবং ব্যাটালিয়ন কমান্ডার নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালগুলোতে পুলিশের টহল ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন |সংগৃহীত

সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: মো: আসাদুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে আসাদুর রহমানকে দেখতে ঢাকা মেডিক্যালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি আহত চিকিৎসকের খোঁজ খবর নেন এবং সার্বিক সহযোগিতা আশ্বাস দেন।

চিকিৎসকের ওপর হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের বড় অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রী সাথে কথা বলে প্রতিটি উপজেলায় ১০ জন করে অস্ত্রধারী আনসার এবং ব্যাটালিয়ন কমান্ডার নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালগুলোতে পুলিশের টহল ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

এই চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনাকে চাঁদাবাজির ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিকিৎসকের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। চাঁদা না দেয়ায় তার ওপর হামলা চালানো হয়। এমনকি ঘটনার পরও মুঠোফোনে হুমকি ও বার্তার মাধ্যমে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে এবং বাকিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে তৎপর রয়েছে।

চিকিৎসকদের নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো জানান, চিকিৎসকদের সুনির্দিষ্ট সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। একইসাথে এই হামলার পেছনে চাঁদাবাজির বাইরে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ সময় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: আসাদুজ্জামানসহ চিকিৎসক ও নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট রাতে রাজধানীর শান্তিনগর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে চেম্বার শেষে রিকশায় ওঠার সময় চার-পাঁচজন সন্ত্রাসী অধ্যাপক ডা: মো: আসাদুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। হামলায় তার মাথা, চোখ ও নাকে গুরুতর আঘাত লাগে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাসস