২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাংলাদেশের ই-অ্যাপোস্টিল সেবা চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২৯ লাখের বেশি অ্যাপোস্টিল সনদ ইস্যু করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, চিকিৎসা, বিয়ে, জন্ম, অভিজ্ঞতা সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন নথির বিপরীতে এ সেবা দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় বলছে, ‘মাইগভ’ প্ল্যাটফর্মে চালু হওয়া এই অনলাইন সেবা নাগরিকদের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। একইসাথে তাদের সময় ও অর্থও সাশ্রয় হচ্ছে।
এদিকে, ই-অ্যাপোস্টিল প্রক্রিয়ায় সত্যায়িত বাংলাদেশের সনদের গ্রহণযোগ্যতা আরো বাড়াতে আজ (মঙ্গলবার) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে সরকারের ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর ও সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
মূল সনদ যাচাই প্রক্রিয়া আরো শক্তিশালী করা, সংশ্লিষ্ট সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষগুলোকে ই-অ্যাপোস্টিল প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের সনদের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বজায় রাখা এবং নাগরিকদের দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করাই ছিল সভার মূল লক্ষ্য। ইউএনবি



