মাটির উর্বরতা ফিরিয়ে আনতে হবে : কৃষিমন্ত্রী

আগামীর বাংলাদেশ গড়তে মাটির পিএইচ মান বৃদ্ধি করতে হবে। মাটির উর্বরতা বাড়ালে দেশের কৃষি এগিয়ে যাবে। এ বিষয়ে বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে। কৃষি দাঁড়ালে এদেশের ৭৫ ভাগ মানুষের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে যাবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বক্তব্য রাখছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
বক্তব্য রাখছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ |বাসস

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে অম্লতা বেড়ে মাটির উর্বরতা কমে গেছে। মাটির উর্বরতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর খামারবাড়িস্থ মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে মাটির পিএইচ মান বৃদ্ধি করতে হবে। মাটির উর্বরতা বাড়ালে দেশের কৃষি এগিয়ে যাবে। এ বিষয়ে বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে। কৃষি দাঁড়ালে এদেশের ৭৫ ভাগ মানুষের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে যাবে।

মাটি ও কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘পৃথিবীর ধনী দেশগুলো বছরের বেশিরভাগ বরফে ঢাকা থাকে। আমাদের দেশে ১২ মাস ফসল ফলে। আমাদের এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশ আমাদের। এই পৃথিবী আমাদের। চলেন, সবাই মিলে আগামীকে কিছু দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেই। আমি আশা করি, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সবাই মিলে চলেন আমরা এগিয়ে যাই। আমরা সবাই বিশ্বাস করি, আগামী প্রজন্মের জন্য আরেকটা সুন্দর বাংলাদেশ, সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে হবে। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ও কর্তব্য।’

আমিন উর রশিদ বলেন, “মাটিকে নতুন করে সাজাতে (পিএইচ মান বৃদ্ধি) হবে। সর্বোচ্চ দুই বছরের মধ্যে একটি গবেষণা ফলাফল বের করতে হবে। এই বছরেই আমি দু’টি জায়গায় গবেষণা করার জন্য বলেছি- এক ফসল থেকে আরেক ফসল ১৫ দিনের গ্যাপ পাবেন। এক বিঘা জমির ওপর আমাকে রিসার্চটা করে দেন। শুধু ৪.৫ পিএইচ এর ভূমিকে চিহ্নিত করেন। তাহলেই হয়ে গেলো, আমি আশা করি, ভালো কিছু হবে।”

মাটির গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার পেছনে কীটনাশকও অনেকাংশে দায়ী ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, ‘এদেশে পেস্টিসাইডের অবস্থা দেখেন। আমি মনে করি, ওটা আরেকটা কঠিন জগত, আবহাওয়া ধ্বংস হচ্ছে, ফসল ধ্বংস হচ্ছে, মাটি ধ্বংস হচ্ছে ও মানব স্বাস্থ্য ধ্বংস হচ্ছে। পৃথিবীতে কি পেস্টিসাইড কেউ ব্যবহার করে না? করে। আমাদের গুণগত মান আরও শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।’

সূত্র : বাসস