পি কে হালদারের সহযোগী অভিজিতের ৭ বছরের কারাদণ্ড

আদালত দুদকের পৃথক দুই ধারায় তাকে কারাদণ্ড দেন। সম্পদের তথ্য গোপন করায় দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় দুই বছর এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২৭(১) ধারায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। দুই ধারার সাজা একসাথে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মহানগর দায়রা জজ কোর্ট, ঢাকা
মহানগর দায়রা জজ কোর্ট, ঢাকা |সংগৃহীত

গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের (সাবেক এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) সহযোগী ও সুখাদা প্রপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অভিজিৎ অধিকারী তীর্থকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান এ রায় দেন।

আদালত দুদকের পৃথক দুই ধারায় তাকে কারাদণ্ড দেন। সম্পদের তথ্য গোপন করায় দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় দুই বছর এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২৭(১) ধারায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। দুই ধারার সাজা একসাথে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া তাকে এক কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরো ৩০ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজীব দে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস মামলাটি করেন। তার বিরুদ্ধে এক কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অপরাধের উল্লেখ করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে এক কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচার চলাকালে পাঁচজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। বাসস