ডাকসুর সৌজন্যে ইংলিশ থেরাপির স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন

ডাকসু ও ইংলিশ থেরাপির যৌথ উদ্যোগে চার শতাধিক ঢাবি শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন এবং সনদ বিতরণ করা হয়েছে।

ডাকসু ও ইংলিশ থেরাপির যৌথ উদ্যোগে স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন হয়েছে
ডাকসু ও ইংলিশ থেরাপির যৌথ উদ্যোগে স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন হয়েছে |নয়া দিগন্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও ইংলিশ থেরাপির যৌথ উদ্যোগে মোট আটটি ব্যাচে চার শতাধিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গ্র্যান্ড রিসেপশন সেরেমনি’।

গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের অডিটোরিয়ামে এ রিসেপশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খান, ইংলিশ থেরাপির সিইও মো: সাইফুল ইসলাম, ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস বিন মুনির, মো: শাহিনুর রহমানসহ ডাকসুর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাকসুর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মো: মাজহারুল ইসলাম।

আয়োজকরা জানান, ২১টি ক্লাসের এ স্পোকেন ইংলিশ কোর্সটি সারাবছর ধরে ডাকসু ভবনে পরিচালিত হয়েছে। মোট আটটি ব্যাচে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করেন। কোর্সটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে কথা বলার দক্ষতা, যোগাযোগ সক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন উপহারও দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে ইংরেজি ভাষার দক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজার ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ইংরেজিতে দক্ষ যোগাযোগের সক্ষমতা শিক্ষার্থীদের এগিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ সময় কোর্সে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষকরাও নিজেদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তারা কোর্সটির মাধ্যমে ইংরেজিতে কথা বলার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির পাশাপাশি বাস্তব জীবনে যোগাযোগের দক্ষতা অর্জনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

আয়োজকরা প্রত্যাশা করেন, ডাকসু ও ইংলিশ থেরাপির এই উদ্যোগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী এ ধরনের দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।