জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি ব্যবহারে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

শনিবার (২২ আগস্ট) সমাপনী মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ হবে। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ প্রদান করা হবে।

মো: আজিজুল হক, গাজীপুর মহানগর

Location :

Gazipur
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি ব্যবহারে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি ব্যবহারে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে |ছবি : নয়া দিগন্ত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দাফতরিক কাজে ডি-নথির ব্যবহার বাড়ানো এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দফতরের আয়োজনে শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে এ প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নির্দেশনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ডি-নথি বিষয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। দাফতরিক কাজে স্বচ্ছতা, দ্রুততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কাগজহীন (পেপারলেস) অফিস বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দফতরের ২৫ জন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তারা নিজ নিজ দফতরে ডি-নথি কার্যক্রম চালু ও বাস্তবায়নে সহায়তা করবেন।

দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে ই-নথি ও ডি-নথি ব্যবস্থার পরিচিতি, লগইন প্রক্রিয়া, প্রোফাইল ব্যবস্থাপনা, ডাক আপলোড ও ব্যবস্থাপনা, ডাক ট্র্যাকিং, অনলাইনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নথি উপস্থাপন, নোট লেখা, খসড়াপত্র তৈরি, ডিজিটাল নথি নম্বর ও শাখা কোডসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

প্রশিক্ষণে বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মুহাম্মদ নাজমুল ইসলাম ও উপ-পরিচালক দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র দাস।

প্রশিক্ষণের প্রথম দিনের সমাপনী সেশনে ডিজিটাল নথি নম্বর, নথির ধরন কোড এবং গ্রুপ প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (২২ আগস্ট) সমাপনী মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ হবে। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ফ্যাসিলেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছান।