হাবিপ্রবির বাজেটে সর্বনিম্ন বরাদ্দ স্বাস্থ্যখাতে, গবেষণায় শূন্য

বিগত অর্থবছরে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে বরাদ্দ থাকলেও এবার এই খাতে কোনো ধরনের বরাদ্দ পায়নি বিশ্ববিদ্যালয়টি।

রাফিউল হুদা, হাবিপ্রবি

Location :

Dinajpur

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট বাজেট বরাদ্দ পেয়েছে ১৩৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা। যা গত বছরের তুলনায় চার কোটি ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা বেশি।

জানা গেছে, মোট বাজেটের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) দেবে ১২৩ কোটি ৭৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব রাজস্ব আয় থেকে আসবে নয় কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ দফতর সূত্রে জানা গেছে, মোট বরাদ্দের সব থেকে কম বরাদ্দ দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্যসেবা খাতে। যার পরিমাণ ১২ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের ০.০৯%। হিসাব করলে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১১ হাজার ২০৩ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে জনপ্রতি ১০৭ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের তুলনায় অপ্রতুল।

অন্যদিকে, সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, অবসর ও পেনশন বাবদ ৯০ কোটি ১৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা, যা মোট বাজেটের ৬৭.৫৯%। তারমধ্যে কর্মকর্তাদের বেতন ৩৮ কোটি ৭৩ লাখ ১৮ হাজার, কর্মচারীদের বেতন আট কোটি ৩৬ লাখ ৪৭ হাজার, বিশেষ সুবিধা বাবদ চার কোটি ৮২ লাখ, ভাতাদি বাবদ সহায়তা ৩১ কোটি ৮২ লাখ ১৭ হাজার এবং পেনশন ও অবসর সুবিধা বাবদ ছয় কোটি ৪৬ লাখ ৬২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

বিগত অর্থবছরে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে বরাদ্দ থাকলেও এবার এই খাতে কোনো ধরনের বরাদ্দ পায়নি বিশ্ববিদ্যালয়টি। তবে, বিগত অর্থবছরে যানবাহন বাবদ কোনো বরাদ্দ না পেলেও এই অর্থবছরে খাতটিতে চার কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

এছাড়াও, পণ্য ও সেবা বাবদ (সাধারণ) ২৯ কোটি ৭৩ লাখ, পণ্য ও সেবা বাবদ (মেরামত) তিন কোটি ৩৫ লাখ, যন্ত্রপাতি অনুদান দুই কোটি ৪২ লাখ, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি অনুদান ৮০ লাখ, অন্য মূলধন অনুদান ৭০ লাখ ও অন্য অনুদান এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

বাজেটের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ গত বছরের তুলনায় এবার কিছুটা বেড়েছে। আমরা বরাদ্দ আরো বাড়ানোর চেষ্টা করছি। যে যে খাতে বাজেট বাড়ানো দরকার, সেই সেই খাতে বাজেট বৃদ্ধির জন্য আমরা ইউজিসির কাছে আবেদন করবো।’