বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ও সুপারিশপত্র জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন মাদরাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও বন্ধ করেছে সরকার।
একইসাথে, তাদের মে মাসের এমপিও শিট থেকে ইনডেক্স কর্তনসহ এ পর্যন্ত উত্তোলিত বেতন-ভাতাদির সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের এক অফিস আদেশে এ কথা জানানো হয়।
আদেশে জানানো হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’ এর ১৮.১ (গ) এবং (ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ইনডেক্স কর্তন হওয়া ১৩ শিক্ষক হলেন— মো: নুরুজ্জামান (সিরাজগঞ্জের গোলকপুর সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদরাসা), মো: মাহবুব রশিদ (রংপুরের তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট কামিল মাদরাসা), মো: আব্দুর রহমান (পিরোজপুরের বাটাজোড় আলিম মাদরাসা), মো: মাসুম বিল্লাহ (পিরোজপুরের বাটাজোড় আলিম মাদরাসা), মো: হারুনুর রশিদ (কুড়িগ্রামের নেওয়াশী ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা), করিমা খাতুন (বাগেরহাটের মল্লিকেরবেড় ফাজিল মাদরাসা), বিশ্বজিৎ সমাদ্দার (সাতক্ষীরার পাতাখালি ফাজিল মাদরাসা), শহীদুল হক (কুমিল্লার পাঁচখুবী আহমদিয়া ফাজিল মাদরাসা), মো: রোকনুজ্জামান (গাজীপুরের বেলাশী মদিনাতুল উলুম বালিকা আলিম মাদরাসা), জালাল উদ্দিন (ঢাকার আজিমপুরের সাতবাড়ীয়া শাহ আমানত র. দাখিল মাদরাসা), হাসিনা (গাজীপুরের বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদরাসা), মো: মাহফুজুর রহমান (গাজীপুরের একডালা আউয়ালিয়া বালিকা আলিম মাদরাসা) এবং নাসরিন সুলতানা (নরসিংদীর শেখেরগাঁও জামিউল উলুম সিনিয়র ফাজিল মাদরাসা)।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, এই জাল সনদধারী শিক্ষকেরা এ পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে বেতন-ভাতা বাবদ যে পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করেছেন, তা দ্রুত সরকারি কোষাগারে ফেরত নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে এই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সূত্র : বাসস



