কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলটি রোহিঙ্গা কমিউনিটির কয়েকজন নেতার সাথেও কথা বলেন এবং তাদের বর্তমান সঙ্কট ও চাহিদার কথা শোনেন।

কক্সবাজার অফিস

Location :

Cox's Bazar
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর |সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে এসেছেন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে তিনি উখিয়ার কুতুপালং ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সার্বিক সমন্বয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টার দিকে প্রতিনিধি দলটি বিশেষ বিমানে কক্সবাজার পৌঁছায় এবং দুপুর ২টার পর তারা উখিয়ার কুতুপালং ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান। পরে তারা জাতিসঙ্ঘ খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিএফপি) পরিচালিত খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম, ৪ নম্বর ক্যাম্পের বর্ধিত অংশ আট ডব্লিউ ও ছয় নম্বর ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। পরে তারা রেড ক্রিসেন্ট পরিচালিত হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। বিকেলে তারা ইউএনএইচসিআর পরিচালিত রেজিস্ট্রেশন সেন্টার পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে মার্কিন অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন সার্জিও গোর। পরিদর্শনকালে মার্কিন বিশেষ দূত জাতিসঙ্ঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সাথেও কথা বলেন।

এ সময় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলমান মানবিক সাহায্য, ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং টেকসই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে সূত্র জানায়।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলটি রোহিঙ্গা কমিউনিটির কয়েকজন নেতার সাথেও কথা বলেন এবং তাদের বর্তমান সঙ্কট ও চাহিদার কথা শোনেন।

সার্জিও গোর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি বাংলাদেশে এসেছেন।

মার্কিন দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ দূতের এই সফর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে মার্কিন প্রতিশ্রুতিকে আরো জোরদার করবে।