খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীর জন্য নির্ধারিত ৫টি বেডের বিপরীতে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পর্যন্ত ১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, মশক নিধনে এখনই পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
জানা গেছে, ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) সকাল পর্যন্ত পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ৫০ শয্যার এ হাসপাতালটিতে প্রতিদিন বিভিন্ন রোগ নিয়ে অন্তত ১০০ থেকে ১১০/১২০ জন পর্যন্ত রোগী ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর জন্য নির্ধারিত বেড রয়েছে মাত্র ৫টি।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না বলেন, ‘হাসপাতালে প্রতিদিন ১০/১২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছেন। চিকিৎসা নিয়ে ফিরেও যাচ্ছেন প্রতিদিন।’
ডেঙ্গু প্রতিরোধে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।
উপজেলা ও পৌরসভার একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কিংবা মশক নিধনে চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত দৃশ্যত কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
পৌরসভা সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে মশক দমন খাতে এখনো কোনো প্রকার বরাদ্দ মেলেনি। তবে, পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে তারা পৌরসভার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগামী সপ্তাহ নাগাদ মশক দমনে বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ে ওষুধ স্প্রে করবে।
হাসপাতাল সূত্র আরো জানায়, সেখানে ডাক্তার বা জনবলসঙ্কট থাকা সত্ত্বেও তারা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছেন।



