ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের মানবিক সেবা

সরাইলে অজ্ঞাত যুবকের লাশ দাফন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো: আজহার উদ্দিন বলেন, ‘হাইওয়ে পুলিশ ও পিবিআইয়ের সহযোগিতায় পরিচয় শনাক্তের জন্য বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানো হলেও নিহত যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরে লাশটি দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

Location :

Brahmanbaria
২৬৮তম বেওয়ারিশ লাশের দাফন সম্পন্ন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের কর্মীরা
২৬৮তম বেওয়ারিশ লাশের দাফন সম্পন্ন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের কর্মীরা |নয়া দিগন্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের খণ্ড-বিখণ্ড লাশ দাফন করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর। এ লাশ দাফনের মাধ্যমে সংগঠনটি ২৬৮তম বেওয়ারিশ লাশ দাফন সম্পন্ন করেছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে বেওয়ারিশ লাশটি দাফন করা হয়।

এর আগে, সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সরাইল উপজেলার শ্রীডোবা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে একাধিক গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে আনুমানিক ২০ বছর বয়সি ওই যুবক নিহত হন। দুর্ঘটনায় তার লাশ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন ও খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায়। মুখমণ্ডল ও হাতের আঙুলের অংশ না পাওয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরিচয় শনাক্তের জন্য পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ইউনিটকে জানানো হলে তারা ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের চেষ্টা করে। তবে আঙুলের অংশ না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পরে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া হয়।

ছয় দিন অপেক্ষার পরও নিহত যুবকের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় রোববার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে লাশটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো: আজহার উদ্দিন বলেন, ‘হাইওয়ে পুলিশ ও পিবিআইয়ের সহযোগিতায় পরিচয় শনাক্তের জন্য বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানো হলেও নিহত যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরে লাশটি দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘এ লাশ দাফনের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের ২৬৮টি বেওয়ারিশ লাশ দাফন সম্পন্ন হলো।’