‘বারি চিনাবাদাম-৯’-এর সাফল্য

আন্তর্জাতিক আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড পেল বারি

শুষ্ক অঞ্চলের কৃষকদের উৎপাদনশীলতা ও জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অর্জন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)।

মো: আজিজুল হক, গাজীপুর মহানগর
আন্তর্জাতিক আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড পেল বারি
আন্তর্জাতিক আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড পেল বারি |নয়া দিগন্ত

শুষ্ক অঞ্চলের কৃষকদের উৎপাদনশীলতা ও জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অর্জন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)। বারির উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল জাত ‘বারি চিনাবাদাম-৯’-এর সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এ আন্তর্জাতিক পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

বারির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘ড্রাইল্যান্ড কংগ্রেস-২০২৬’-এ বারিকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রপস রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর দ্য সেমি-অ্যারিড ট্রপিক্স’ এবং ‘দ্য সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন ইন এগ্রিকালচার’ যৌথভাবে এ আয়োজন করে।

গ্লোবাল সাউথের বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশ থেকে প্রতিযোগিতামূলক মনোনয়নের মাধ্যমে ক্ষুদ্র কৃষকদের জীবনমান ও উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা উদ্যোগ বা প্রযুক্তি থেকে ‘বারি চিনাবাদাম-৯’কে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিকূল পরিবেশ সহ্য করার সক্ষমতাসম্পন্ন এ জাতটি শুষ্ক অঞ্চলে কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় কৃষকদের সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশে উদ্ভাবিত এ বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি সমাধান সাউথ-সাউথ সহযোগিতার মাধ্যমে অন্যান্য উন্নয়নশীল অঞ্চলে প্রয়োগ ও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করেছে।

পুরস্কার পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বারির মহাপরিচালক ড. মো: মঞ্জুরুল কাদির বলেন, ‘এ পুরস্কার বারির গবেষণার উৎকর্ষের প্রতীক। ‘বারি চিনাবাদাম-৯’ প্রমাণ করেছে, স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী কৃষি গবেষণা শুষ্ক অঞ্চলের উৎপাদনশীলতায় পরিবর্তন আনতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও কৃষকদের শক্তিশালী করতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি বিকাশে বারি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

দেশের সর্ববৃহৎ বহুমুখী ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারি কন্দাল ফসল, ডাল, তেলবীজ, শাকসবজি, ফল ও মসলাসহ ২১২টিরও বেশি ফসল নিয়ে গবেষণা করছে। খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করে যাচ্ছে।