‘সবাই মিলে দেশ গড়ি, একসাথে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করি’— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ র্যালি, মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার উদ্যোগে শহরের শিমরাইলকান্দি পাওয়ার হাউজ সড়কে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো: আবুসাঈদ।
উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসক (ডিসি) বলেন, ‘ডেঙ্গুর লার্ভা নিধন ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতি শনিবার এ অভিযান পরিচালিত হবে। অনেকেই খোলা জায়গা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন, যা বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে কঠিন করে তোলে। আমি সবাইকে নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘ডেঙ্গু বর্তমানে দেশের অন্যতম প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা। বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার বিস্তারের কারণে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ে। প্রশাসনের কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
সংশ্লিষ্টরা জানান, এডিস মশা সাধারণত বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, আঙিনা ও আশপাশে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে বংশবিস্তার করে। ফুলের টব, অব্যবহৃত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র, ড্রাম কিংবা নারকেলের খোসায় জমে থাকা পানিও এডিসের প্রজননস্থল হতে পারে। তাই এসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক শরীফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রঞ্জন চন্দ্র দে, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: কাউসার আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আল আমিন শাহীন, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান লিমনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।



