সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ‘কেবিটি প্রেজেন্টস নোটিলাস’ নামে হাউজবোটের লোকজনের হামলায় যুবক আমান উল্লাহ আমিন (২২) নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে নিহতের বাবা কামাল হোসেন হাউজবোটটির মালিকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ও তিন-চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
এর আগে, এ ঘটনায় হাউজবোটের মালিক ও তার স্ত্রীসহ নয়জনকে আটক করে পুলিশ।
নিহতের বাবা কামাল হোসেন বলেন, ‘আমাকে আটক করে মারধর করেছে। আমার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পরও তারা নারী নির্যাতনের মামলা দিবে বলে হুমকিও দেয়। তাদের হাত নাকি অনেক লম্বা। আমি ন্যায় বিচার চাই।’
তাহিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) সুশংকর পাল জানান, হাউজবোটটি তাহিরপুর থানা পুলিশ আটক করেছে। বুধবার (১০ জুন) সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটকদের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলা বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর-পাতারী এলাকায় একটি মালবাহী নৌকা ‘কেবিটি প্রেজেন্টস নোটিলাস’ নামে একটি হাউজবোটে ধাক্কা দেয়। পরে হাউজবোটের ১০-১৫ জন লোক মালবাহী নৌকার ওপর হামলা চালায়। এ সময় নৌকায় থাকা পাঁচজন ও যাত্রী ছিল আরো অন্তত তিনজন।
পরে নৌকার লোকজন রক্তি নদীতে লাফিয়ে পরে সাঁতরে তীরে উঠে। কিন্তু নদীতে লাফ দেয়ার পর থেকে আমান উল্লাহ আমিন নিখোঁজ ছিল। বিকেলে তার লাশ রক্তি নদীতে ভেসে ওঠে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
নিহত আমান উল্লাহ আমিন কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের কলাপাড়া গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে।



