ধামরাইয়ে গৃহবধূ লাইলী হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের বৈন্যা গ্রামের আব্দুল হালিমের স্ত্রী লাইলী বেগম গত ২৮ মে দুপুরে বাড়ির পাশেই সরকারি রাস্তায় ধানের খড় শুকাতে দেন। রাস্তার ওপর কেন খড় শুকাতে দিলেন– এ নিয়ে প্রতিবেশী সাবেক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য নাহিদা ও তার ছেলে প্রতিবাদ করেন।

ধামরাই (ঢাকা) সংবাদদাতা

Location :

Dhamrai
গৃহবধূ লাইলী হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন
গৃহবধূ লাইলী হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন |নয়া দিগন্ত

ঢাকার ধামরাইয়ে লাইলী বেগমের হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

রোববার (৭ জুন) উপজেলা চত্বর রাস্তায় মানববন্ধন করেন নিহত লাইলী বেগমের পরিবার ও শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত লাইলী বেগমের মা সমীরণ বেগম, ছেলে নয়ন আহমদ, মেয়ে আলিমা আক্তার, প্রতিবেশী আবু সাঈদ বাদশা, শিক্ষার্থী মো: লিমন, রিপন আহমেদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আমরা হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার নিশ্চিত করে ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি। যাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আর কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়। হত্যাকারীরা নিহত পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। নিরাপত্তার জন্য আমরা ইউএনও বরাবর স্মারকলিপি দেবো।

মানববন্ধন শেষে নিহতর পরিবার ও প্রতিবেশীরা ইউএনও কার্যালয়ে ইউএনও মো: আল মামুনের কাছে স্মারক লিপি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের বৈন্যা গ্রামের আব্দুল হালিমের স্ত্রী লাইলী বেগম গত ২৮ মে দুপুরে বাড়ির পাশেই সরকারি রাস্তায় ধানের খড় শুকাতে দেন। রাস্তার ওপর কেন খড় শুকাতে দিলেন– এ নিয়ে প্রতিবেশী সাবেক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য নাহিদা ও তার ছেলে প্রতিবাদ করেন।

একপর্যায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই দিনই রাত ৮টার দিকে ১০-১২ জন মিলে লাইলী বেগমকে বাড়ির পাশ থেকে তুলে নিয়ে রাস্তার ওপর ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেন। পরে এলাকাবাসী তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা করেন।

সেখানে সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার (জুন) রাতে লাইলী বেগম মারা যান। এ ঘটনায় ১০-১২ জনকে আসামি করে নিহতের পরিবার ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, নাহিদা বেগম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।