সিলেটে চারজনের মৃত্যুর পরদিন ফের হামে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১৯৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে নতুন করে কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। এসময়ে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৫ জনে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪৯০ জন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা: মো: মাহবুবুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া ১৯৩ জনের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৫৮ জন, এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৭১ জন, বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চারজন, গোলাপগঞ্জে ১৬ জন, গোয়াইনঘাটে তিনজন, ধর্মপাশায় একজন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২২ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৩ জন এবং বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচজন রয়েছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪৯০ জন সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৬৪ জন, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৬৩ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০ জন, নর্থ ইস্ট মেডিক্যাল হাসপাতালে আটজন, পার্কভিউ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৭ জন, কোম্পানীগঞ্জে ছয়, বিয়ানীবাজারে সাত, গোলাপগঞ্জে ১৭, গোয়াইনঘাটে পাঁচ, বালাগঞ্জে দুই, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩৯, ধর্মপাশায় তিন, বাহুবলে পাঁচ, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে সাত এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে মারা যাওয়া সাত মাস বয়সী শিশু সখ্য তালুকদার সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার বাসিন্দা।
স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৪৪ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩৭৬, হবিগঞ্জে ১৫৩, মৌলভীবাজারে ১৫৮ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে ১৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৫৫ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।



