হাতীবান্ধায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা নিহত

কাজের একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় চাচা আব্দুর রাজ্জাক উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে ভাতিজা জলিলকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে জলিল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

আসাদুল ইসলাম সবুজ, লালমনিরহাট

Location :

Lalmonirhat
চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা নিহত
চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা নিহত |প্রতীকী ছবি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচার লাঠির আঘাতে আব্দুল জলিল (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের ধওলাই পাগলার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জলিল ওই এলাকার আলগেস আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে আলগেস আলী ও তার ভাই আব্দুর রাজ্জাকের মধ্যে দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলাও বিচারাধীন রয়েছে। আজ দুপুরে বিরোধপূর্ণ জমির দুই পাশে দুই পক্ষ কাজ করতে যান। এক পাশে আলগেস আলীর ছেলে জলিল ও অন্য পাশে আব্দুর রাজ্জাক ও তার ছেলে সাদ্দাম কাজ করছিলেন।

কাজের একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় চাচা আব্দুর রাজ্জাক উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে ভাতিজা জলিলকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে জলিল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: আনারুল হক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই জলিলের মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলীর সরকারি মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই হাতীবান্ধা থানার ওসিকে দ্রুত মামলা দায়ের এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।