কাঁটাবনে ১৪ তলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২

নিহতরা হলেন মো. জনি (২৫) ও মো. আবদুস সালাম (১৯)। ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
কাঁটাবনের আল বারাকা টাওয়ার শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস
কাঁটাবনের আল বারাকা টাওয়ার শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস |সংগৃহীত

রাজধানীর কাঁটাবনের একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাতে ভবনটির ১২ তলার দুটি ফ্ল্যাটে আগুন লাগে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহতরা হলেন মো. জনি (২৫) ও মো. আবদুস সালাম (১৯)। ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আগুন লাগার পর দগ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করা হয়। জনিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং আবদুস সালামকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ভবনটিতে বর্তমানে আর কেউ আটকা নেই এবং নতুন করে কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, কাঁটাবনের আল বারাকা টাওয়ার শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। প্রথমে পলাশী ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরে সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশন থেকে আরো চারটি ইউনিট যোগ দিলে মোট ছয়টি ইউনিটের সমন্বিত প্রচেষ্টায় রাত ৩টা ৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়ার সাথে সাথে ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভবনের সিঁড়ি ব্যবহার করে দ্রুত ওপরের তলায় উঠে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

তিনি আরো বলেন, ভবনটিতে কোনো কার্যকর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না এবং বিল্ডিং কোডও যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। এ কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে বাড়তি বেগ পেতে হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।