২৫ এপ্রিল ২০১৯

৪৫ ভাগ মহার্ঘ ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি, ১ মার্চ থেকে কার্যকর

৪৫ ভাগ মহার্ঘ ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি, ১ মার্চ থেকে কার্যকর - সংগৃহীত

নবম ওয়েজ বোর্ড কাঠামো চূড়ান্ত করার আগে সংবাদকর্মীদের জন্য মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করা হয়েছে। এ ভাতা ২০১৮ সালের ১ মার্চ থেকেই কার্যকর হবে। এ মহার্ঘ ভাতা পরবর্তীতে বোর্ডের নির্ধারিত সামগ্রিক বেতন কাঠামোর সাথে সমন্বয় করা হবে। মঙ্গলবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, নবম মজুরি বোর্ডের পেশ করা অন্তরবর্তীকালীন প্রতিবেদন পরীক্ষান্তে সরকার সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থাগুলোতে নিয়োজিত সাংবাদিক, প্রেস শ্রমিক ও সাধারণ কর্মীদের জন্য মূল বেতনের (অষ্টম মজুরি বোর্ড ঘোষিত) ৪৫ শতাংশ হারে অন্তরবর্তীকালীন মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করেছে।

এ বিষয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, এই মহার্ঘ ভাতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হল। অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা মহার্ঘ ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছি।

এ বিষয়ে বিএফইউজের (একাংশ) সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, ওয়েজবোর্ড ঘোষণার আগে সাংবাদিকদেও জন্য ৪৫ ভাগ মহার্ঘ ভাতার গেজেট প্রকাশ আমাদের লাগাতার কর্মসূচির ফসল। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপ।এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী ও তথ্যপ্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সংবাদপত্র ও বার্তা সংস্থার কর্মীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্য গত ২৯ জানুয়ারি নবম মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়। ১৩ সদস্যের এই বোর্ডে চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক। এছাড়া সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ এবং সাংবাদিক ও সংবাদপত্র কর্মচারী বা শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী সমসংখ্যক প্রতিনিধিও রয়েছে ওয়েজ বোর্ডে।

সরকারের কাছে সুপারিশ দিতে বোর্ডকে ছয় মাস সময় দেয়া হয়েছিল। ২৮ জুলাই সেই সময় শেষ হয়। পরে নবম মজুরি বোর্ডের মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়ানো হয়।

এর আগে ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সংবাদপত্রকর্মীদের বেতন-ভাতা ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে সরকার অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের (অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ, ২০১৩) গেজেট প্রকাশ করে ।

আরো পড়ুন : তারা গুজব উৎপাদন ও পুনঃউৎপাদনের কারখানা : তথ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:১৩


তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বিএনপি-জামায়াত-সাম্প্রদায়িক জঙ্গিচক্র উল্লেখ করে বলেছেন, তারা গুজব উৎপাদন ও পুণঃ উৎপাদনের সংগঠিত কারখানা। এদের কালো থাবা থেকে ফেসবুক-সামাজিক মাধ্যমকে রক্ষা করতেই হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এই মুহূর্তে খালেদা জিয়ার বিচারের আদালত নিয়েও গুজব-মিথ্যাচার চলছে। আদালত কোথায় বসলো সেটা বিচার্য নয়, আদালত প্রকাশ্য কিনা সেটাই বিচার্য। নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়েও সংশয় তৈরির জন্য গুজব-মিথ্যাচার চালাচ্ছে দেশবিরোধী গোষ্ঠী। এরা মানুষের শক্র, দেশের শক্র, সমাজের শত্রু’।


মঙ্গলবার সিরডাপ মিলনায়তনে তথ্য অধিদফতর আয়োজিত ‘গুজব: গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। প্রধান তথ্য অফিসার কামরুন নাহারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে তথ্য সচিব আবদুল মালেক বক্তব্য রাখেন।

‘এই গুজব, মিথ্যাচার, উস্কানি, তথ্যবিকৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ওপর একটি জাতীয় প্রচার অভিযান এবং সংবাদপত্র, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সকল টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ সকল বেতারে এবং অনলাইন গণমাধ্যমগুলোতে একযোগে গুজব, মিথ্যাচার, উস্কানি ও তথ্যবিকৃতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে।’

‘একইভাবে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানেই ধর্মহীনতা’, ‘সমাজতন্ত্রী মানেই নাস্তিক’, ‘জয় বাংলা মানে হিন্দুয়ানী’ বা ‘বাঙালিত্বের চর্চা ধর্মবিরোধী’-এ ধরণের মিথ্যাচার চলে আসছে’ উল্লেখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও ‘মুক্তিযোদ্ধারা ইসলাম ধ্বংস করে ফেলছে’ তৎকালীন মুসলিম লীগ এ ধরণের মিথ্যাচার করেছে, বাঙালি তাতে কান দেয়নি।

এখনো ‘শিল্পের চর্চাকারি নারী-পুরুষ মুরতাদ ও ইসলামের শক্র’ বলে জঙ্গিরা মিথ্যাচার করছে। মওদুদীর কথাকে কোরআনের বাণী বলে চালানোর চেষ্টা করেছে জামাতে ইসলাম। এখনো ‘জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা দেয়া ইসলাম বিরোধী’ বলে ফতোয়া দিচ্ছে তারা।’

ইনু বলেন, ‘বাংলাদেশ বিরোধীচক্রের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে মিথ্যাচার, তথ্যবিকৃতি, তথ্য ধামাচাপা দেয়া, চরিত্রহনন। নামে-বেনামে, দেশ থেকে বা বিদেশ থেকে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠি এই অপকর্মে লিপ্ত। এরা আসলে অপরাধী বলেই তারা নিজ নাম গোপন রেখে ভিন্ন নামে মিথ্যা তথ্য ছড়ায়। এ অপপ্রচার থেকে রেহাই পেতে ‘ডিজিটাল লিটারেসি’র বিকল্প নেই। অর্থাৎ জনগণকে ডিজিটাল শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।’

গুজব-মিথ্যাচারের হাত থেকে মানুষ ও সামাজিক মাধ্যমগুলোকে রক্ষার জন্যে দু’টো ছাঁকনি বসানো প্রয়োজন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, একটি প্রযুক্তিগত ছাঁকনি, অপরটি মনের ছাঁকনি। অপরাধী সনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত ছাঁকনি, আর সামাজিক মাধ্যমে যা দেখা যাবে, যাচাই না করে তাই বিশ্বাস করে বিভ্রান্ত না হবার জন্যই মনের ছাঁকনি-ছাঁকনি দিয়ে আগে যাচাই, তারপরে বিশ্বাস।

‘ছাঁকনি বসাতে গেলেই দেশ ও সমাজবিরোধীগোষ্ঠী ‘গণতন্ত্র গেল, গণতন্ত্র গেল’ বলে চিৎকার শুরু করে’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই চক্র গুজব রটনার বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে না, বরং গুজব রটনাকারীদের দমন করতে গেলে ‘গণতন্ত্র গেল, গণতন্ত্র গেল’ বলে রটনাকারীদেরই প্রশ্রয় দেয়। এতে গণতন্ত্র রক্ষা হয় না, বরং অপরাধীরাই প্রশ্রয় পায়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মুক্তমনা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান নয়, বরং যাদের জন্য মুক্তমনা ব্যক্তিবর্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের কঠোর অবস্থান নিতে হবে।’


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat