বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে হলুদ কার্ডের ঝুঁকিতে আছেন যারা

বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে বড় মঞ্চে সেমিফাইনাল ও ফাইনালে খেলার সুযোগ যেকোনো ফুটবলারের জীবনের অন্যতম সেরা অর্জন। তবে কোয়ার্টার-ফাইনালে অংশ নেয়া বিভিন্ন দলের মোট ২০ জন খেলোয়াড় সেই সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। কারণ শেষ আটের ম্যাচে তারা যদি আরেকটি হলুদ কার্ড দেখেন এবং তাদের দল সেমিফাইনালে ওঠে, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী তারা সেমিফাইনাল খেলতে পারবেন না।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
হলুদ কার্ড
হলুদ কার্ড |ইন্টারনেট

বিশ্বকাপ শিরোপা লড়াইয়ে এখন মাত্র আট দল টিকে রয়েছে। আজ রাত থেকে ফ্রান্স বনাম মরক্কোর ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের উত্তেজনাকর লড়াই।

৪৮টি দল নিয়ে শুরু হওয়া ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এখন পৌঁছে গেছে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে। আসরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদে এখন বাকি রয়েছে আর মাত্র সাতটি ম্যাচ। এই ম্যাচগুলোই নির্ধারণ করবে, কে হবে বিশ্বের নতুন চ্যাম্পিয়ন।

বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে বড় মঞ্চে সেমিফাইনাল ও ফাইনালে খেলার সুযোগ যেকোনো ফুটবলারের জীবনের অন্যতম সেরা অর্জন। তবে কোয়ার্টার-ফাইনালে অংশ নেয়া বিভিন্ন দলের মোট ২০ জন খেলোয়াড় সেই সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। কারণ শেষ আটের ম্যাচে তারা যদি আরেকটি হলুদ কার্ড দেখেন এবং তাদের দল সেমিফাইনালে ওঠে, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী তারা সেমিফাইনাল খেলতে পারবেন না।

প্রথম দুই নকআউট পর্বে ইতোমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড পাওয়া এবং নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা খেলোয়াড়দের তালিকা দেয়া হলো :

মরক্কো : ইসা ডিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদুয়ানে হালহাল, বিলাল এল খানুস, আজেদিন উনাহি।

ফ্রান্স : মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে, ব্র্যাডলি বারকোলা

ইংল্যান্ড : ডিক্লান রাইস, জুড বেলিংহাম, নিকো ও’রিলি, মার্ক গুয়েহি

নরওয়ে : এন্টোনিও নুসা

আর্জেন্টিনা : গনজালো মনটিয়ের

সুইজারল্যান্ড : গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া, মিরো মুহেইম

স্পেন : ফেরান তোরেস

বেলজিয়াম : ব্র্যান্ডন মেশেলে

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় দু’টি ভিন্ন ম্যাচে দু’টি হলুদ কার্ড পেলে তাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ থাকতে হবে।

আগের বিশ্বকাপগুলোতে কোয়ার্টার-ফাইনাল পর্ব শেষ হওয়ার পর সব একক হলুদ কার্ডের হিসাব বাদ দেয়া হতো।

তবে এবার বিশ্বকাপে অতিরিক্ত একটি নকআউট রাউন্ড যুক্ত হওয়ায় নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। একটি করে পাওয়া হলুদ কার্ডের হিসাব প্রথমে গ্রুপ পর্ব শেষে এবং পরে আবার কোয়ার্টার-ফাইনাল শেষে বাতিল করা হবে।

এর ফলে কোনো খেলোয়াড় যদি কোয়ার্টার-ফাইনাল পর্যন্ত দ্বিতীয় হলুদ কার্ড না দেখেন, তাহলে সেমিফাইনালে ওঠার পর তার আগের একক হলুদ কার্ডের রেকর্ড আর বহাল থাকবে না। অর্থাৎ কোয়ার্টার-ফাইনালের পর হলুদ কার্ডের হিসাব নতুন করে শুরু হবে।

সূত্র : বাসস