বিশ্বকাপ জিতে ঘরে ফিরেই টমেটো উপহার পেলেন ফাবিয়ান রুইস ও গাভি

বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব নিয়ে নিজ শহরে ফিরেই পেলেন একেবারে ব্যতিক্রমী উপহার। স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ফাবিয়ান রুইস ও গাভিকে সংবর্ধনা জানাতে তাদের হাতে তুলে দেয়া হলো টমেটো—তাও আবার নিজেদের ওজনের সমপরিমাণ!

ক্রীড়া প্রতিবেদক
বিশ্বকাপ জিতে ঘরে ফিরেই টমেটো উপহার পেলেন ফাবিয়ান রুইস ও গাভি
বিশ্বকাপ জিতে ঘরে ফিরেই টমেটো উপহার পেলেন ফাবিয়ান রুইস ও গাভি |সংগৃহীত

বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব নিয়ে নিজ শহরে ফিরেই পেলেন একেবারে ব্যতিক্রমী উপহার। স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ফাবিয়ান রুইস ও গাভিকে সংবর্ধনা জানাতে তাদের হাতে তুলে দেয়া হলো টমেটো—তাও আবার নিজেদের ওজনের সমপরিমাণ!

মাদ্রিদে বিশ্বকাপ জয়ের উদযাপন ও বিজয় শোভাযাত্রা শেষে রুইস ও গাভি ফিরে যান আন্দালুসিয়ার ছোট্ট শহর লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কায়। শহরের টাউন হলে তাদের সংবর্ধনা দেয় স্থানীয় প্রশাসন।

স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলের এই শহরটি টমেটো উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। তাই শহরের কৃতী সন্তানদের সম্মান জানানোর বহু বছরের ঐতিহ্য হিসেবে টমেটোই তুলে দেয়া হয় তাদের হাতে।

ঐতিহ্য অনুসারে পিএসজি মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইসকে দেয়া হয় তার ৮৪ কেজি ওজনের সমপরিমাণ টমেটো। আর বার্সেলোনার তরুণ মিডফিল্ডার গাভি পান ৬৮ কেজি টমেটো।

মাত্র ৩৫ হাজার মানুষের এই ছোট্ট শহরটি এখন শুধু টমেটোর জন্যই নয়, বিশ্বমানের ফুটবলার তৈরির জন্যও পরিচিত। রুইস ও গাভিকে নিয়ে এখান থেকে বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারের সংখ্যা দাঁড়াল তিনজনে।

অন্যজন ছিলেন হেসুস নাভাস। ২০১০ সালে স্পেনের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি। সেবার দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ট্রফি নিয়ে ফেরার পর তাকেও একইভাবে টমেটো উপহার দিয়ে বরণ করা হয়েছিল।

পরে ২০১২ ও ২০২৪ সালে ইউরো জয়ের পরও সেই ঐতিহ্য বজায় রাখা হয়। ফাবিয়ান রুইস অবশ্য এর আগে ইউরো জয়ের স্বাদও পেয়েছিলেন। তবে গাভির জন্য এটি স্পেন জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা।

অবশ্য সংবর্ধনা কেবল টমেটোতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। দুই তারকার হাতে তুলে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন স্মারক ও সম্মাননা। পাশাপাশি যে দুটি মাঠে খেলে তারা বেড়ে উঠেছেন, সেই স্টেডিয়াম দুটির নামকরণ করা হয়েছে ফাবিয়ান রুইস ও গাভির নামে।

আর শহরের আরেক গর্ব হেসুস নাভাসের সম্মানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের ঘোষণাও দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।