জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই। লিওনেল মেসি-কিলিয়ান এমবাপ্পে লড়াই করছেন পাল্লা দিয়ে। পিছিয়ে নেই আর্লিং হলান্ড, উসমান দেম্বেলেও। তবে এখন পর্যন্ত এই দৌড়ে এগিয়ে ফরাসি অধিনায়ক।
রাউন্ড অব ৩২-এ সুইডেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন এমবাপ্পে। এর আগে সেনেগাল ও ইরাকের বিপক্ষেও ২টি করে গোল করেছিলেন তিনি। ফলে টুর্নামেন্টে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬।
অন্যদিকে, মেসির গোল সংখ্যাও সমান ৬, তবে এবার মেসির কোনো অ্যাসিস্ট নেই। তাই ২টি অ্যাসিস্ট থাকায় টাইব্রেকারে এগিয়ে থেকে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এখন শীর্ষে রয়েছেন এমবাপ্পে।
আগামী শুক্রবার কেপ ভার্দের বিপক্ষে শেষ ষোলো-তে ওঠার ম্যাচে নিজের গোল সংখ্যা আরো বাড়ানোর সুযোগ থাকবে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সামনে। থাকবে অ্যাসিস্ট করার সুযোগও।
মেসি-এমবাপ্পে ছাড়াও এই দৌড়ে আছেন নরওয়ে তারকা আর্লিং হলান্ড ও ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে। হলান্ডের রয়েছে ৫ গোল আর দেম্বেলের ৪ গোলের সাথে আছে ২ অ্যাসিস্ট। এছাড়া ভিনিসিউস জুনিয়র ৪ গোলের সাথে করছেন ১ অ্যাসিস্ট।
এদিকে জমে উঠেছে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হওয়ার লড়াইও। জোড়া গোলের পর এমবাপ্পের মোট গোল এখন ১৮। অর্থাৎ মেসির চেয়ে মাত্র ১ গোলে পিছিয়ে আছেন ফরাসি তারকা। মেসির গোল সংখ্যা ১৯টি।
নকআউট পর্ব যত এগোচ্ছে, গোল্ডেন বুটের লড়াইও ততই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে। এমবাপ্পে, মেসি, হলান্ডসহ একাধিক তারকা এখনো প্রতিযোগিতায় থাকায় টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে শীর্ষস্থান আরো কয়েকবার হাতবদল হতে পারে।
তবে এসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না এমবাপ্পে। তার লক্ষ্য ভিন্ন, যা নিয়ে ম্যাচ শেষে বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, আমাদের লক্ষ্য হলো যতটা সম্ভব দূর যাওয়া, ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে খেলা ও ট্রফি নিয়ে ফিরে আসা।’
‘আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোচ্ছি। অবশ্যই আপনি যত বেশি গোল করবেন, তালিকায় তত ওপরে উঠবেন। এটা নতুন কিছু নয়।’ এই সময় মেসির প্রতি সম্মান জানিয়ে এমবাপ্পে বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে লিও (মেসি) এই টুর্নামেন্টে আরো গোল করতে যাচ্ছে। তাই আমি ব্যক্তিগত এসব সংখ্যা নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাচ্ছি না। আমার পুরো মনোযোগ পরবর্তী প্রতিপক্ষ এবং আমাদের মূল লক্ষ্য অর্থাৎ ফাইনালের দিকে।’



