নাম তার ইব্রাহিম মাজা। তবে ২০ বছরের এই ফুটবলার খেতাব পেয়েছেন নতুন ম্যারাডোনার। মাঠে তার ফুটবল শৈলী এবং গোল করা ও করানোর দক্ষতাই তার নতুন নাম এনে দিয়েছে। তাই সবাই তাকে ডাকে মাজাডোনা নামে। জার্মানিতে জন্ম এবং সেখানেই বড় হওয়া ও ফুটবল চর্চা। এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বড় আতঙ্ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটাতে পারেন।
আলজেরিয়া জাতীয় দলে খেলার আগে তিনি জার্মানির বয়সভিত্তিক জাতীয় দলে খেলেছেন। এরপর পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম দেশের হয়ে সিনিয়র জাতীয় দলে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। এরই সূত্র ধরে অভিষেক ঘটাতে যাচ্ছেন বিশ্বকাপের বিশাল আসরে।
২০০৫ সালে জার্মানির বার্লিনে জন্ম ইব্রাহিম মাজার। ৫ ফিট ১১ ইঞ্চি উচ্চতার এই ফরোয়ার্ড এখন খেলছেন বায়ার লেভারকুজেনে। এর আগে ছিলেন হার্থা ক্লাবে। ২০২৪ সালে আলজেরিয়া সিনিয়র জাতীয় দলে চলে আসেন। এর আগেই জন্মস্থান জার্মানির বয়সভিত্তিক জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তুলেছেন। ইউরোপিয়ান দেশটির অনূর্ধ্ব-১৮ দলের হয়ে ৮ ম্যাচ খেলে ৩ গোল করেছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জার্সিতে ৩ ম্যাচে ১ গোল। অবশ্য অনূর্ধ্ব-২০ জার্মান দলের হয়ে ২ ম্যাচে কোনো গোল পাননি। বুন্দেসলিগায় লেভারকুজনের জার্সিতে ২৮ ম্যাচে তার গোল ৩টি।
গত বছর আফ্রিকান নেশনস কাপের বাছাই পর্বে তিনি ডাক পান পৈতৃক নিবাস আলজেরিয়ার জাতীয় দলে। তার অভিষেক ছিল টোগোর বিপক্ষে। আলজেরিয়ার হয়ে করেছেন ২ গোল। ওই আসরের চূড়ান্ত পর্বে তার গোল ছিল সুদানের বিপক্ষে। এরপর ইকুয়েটরিয়াল গিনির বিপক্ষেও জালের দেখা পান তিনি। ইউরোপিয়ান ফুটবল ও জাতীয় দলে তার স্কিল ও ড্রিবলিং এনে দিয়েছে আলজেরিয়ার ম্যারাডোনা খ্যাতি। তাই এখন তার উপাধি হয়ে গেছে মাজাডোনা।
এখন বিশ্বকাপের বিশাল মঞ্চে এবং লিওনেল মেসিদের আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জ্বলে উঠতে পারলে সুনাম ও পরিচিতি আরো ব্যাপক হবে ২০ বছর বয়সের এই খেলোয়াড়টির।



