ব্যাটারদের নৈপুণ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ

১৮৫ রানে ৩ উইকেট হারায় দল। জয়ের জন্য তখনো ২০ ওভারে ১১৪ রান করতে হতো বাংলাদেশকে। তবে এই সময় জোড়া উইকেট হারিয়ে বসে দল।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বাংলাদেশ ইমার্জিং দল
বাংলাদেশ ইমার্জিং দল |নয়া দিগন্ত

দ্বিতীয় ম্যাচটা বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের সিরিজ জয়। তবে শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজটা নিজেদের করে নিয়েছে ইমার্জিং টাইগাররা। বাংলাদেশ এ দল জিতেছে ৪ উইকেটে।

জয়টা অবশ্য সহজ ছিল না। রাজশাহীতে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২৯৮ রানের বিশাল পুঁজি পায় জিম্বাবুয়ে। তবে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দুই ওভার হাতে রেখেই তা পেরিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

রান তাড়ায় আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ১২২ রানের জুটি গড়েন দুই ওপেনার শাহাদাত হোসেন দিপু ও অমিত হাসান। ১৮তম ওভারে ভিনসেন্ট মাসেকেসার বলে ফেরার আগে ৫০ বলে ৫৪ রান করে ফেরেন দিপু।

এরপর তিন নম্বরে নামা ইয়াসির আলির ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। তবে সেঞ্চুরির পথে ছিলেন অমিত। যদিও শেষ পর্যন্ত আর পারেননি। ৮৪ বলে ৮০ রানে থামতে হয় তাকে।

১৮৫ রানে ৩ উইকেট হারায় দল। জয়ের জন্য তখনো ২০ ওভারে ১১৪ রান করতে হতো বাংলাদেশকে। তবে এই সময় জোড়া উইকেট হারিয়ে বসে দল। সামিউন বশির ১২ ও জাকির হাসান ০ রানে ফেরেন। খানিকটা চাপে পড়ে যায় টাইগাররা।

সেখান থেকে জাকের আলির অপরাজিত ৭৫ বলে ৬১ ও মইন খানের ৩৬ বলে ৪৩ রানে হেসে-খেলেই জিতে যায় বাংলাদেশ।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করে জিম্বাবুয়ে। উদ্বোধনী জুটিতে ৭৪ বলে ৮২ রান যোগ করেন ইনোসেন্ট কাইয়া ও ম্যাথু ক্যাম্পবেল। ৩৭ বলে ৪২ রান করে ক্যাম্পবেল আউট হন।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে এগিয়ে যান কাইয়া। নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ৩৮তম ওভারে আউট হওয়ার আগে ১১০ বলে ১০৩ রান করেন কাইয়া। এছাড়া ৫৪ বলে ৫০ রান করেন রায়ান বার্ল। তাতেই তিন শ’র কাছে পৌঁছায় জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের পক্ষে ৪৫ রানে ৪ উইকেট নেন অভিজ্ঞ পেসার খালেদ আহমেদ। আব্দুর গাফফার সাকলাইন ৬৭ রানে নেন ৩ উইকেট।

উল্লেখ্য, প্রথম ম্যাচ জিতে আগেই লিড নিয়েছিল বাংলাদেশ এ দল। মাঝে বৃষ্টিতে ভেসে যায় দ্বিতীয় ম্যাচ। শেষ ওয়ানডে জিতে ২-০ ব্যবধানে সিরিজের ট্রফি নিজেদের করে নিল স্বাগতিকরা।