অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে একের পর এক চোটে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ দল। বিসিবি’র সর্বশেষ মেডিক্যাল আপডেটে নিশ্চিত করা হয়েছে, ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে খেলতে পারবেন না পেসার নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস।
সবচেয়ে বড় ধাক্কা নাহিদ রানাকে নিয়ে। জিম্বাবুয়ে সফরে গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেইনে আক্রান্ত হওয়া এই গতিতারকা পুরো টেস্ট সিরিজ থেকেই ছিটকে গেছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার পুরোপুরি সেরে উঠতে ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
অন্যদিকে, শরিফুল ইসলাম বাম পায়ের গ্রেড-১ হ্যামস্ট্রিং চোট কাটিয়ে পুনর্বাসনে রয়েছেন। ২৯ জুলাই থেকে বোলিং শুরু করার কথা রয়েছে তার। প্রথম টেস্টে খেলার সম্ভাবনা না থাকলেও, ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে দ্বিতীয় টেস্টে ফেরার সুযোগ থাকতে পারে।
একই অবস্থা টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাসেরও। বাম পায়ের পেশির চোটের কারণে তিনি জিম্বাবুয়ে সফর ও লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ খেলতে পারেননি। সিঙ্গাপুরে পিআরপি থেরাপি নেয়ার পর ২৮ জুলাই থেকে তার রানিং ও কন্ডিশনিং শুরু হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে দ্বিতীয় টেস্টের আগে ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নেবেন তিনি।
এদিকে দীর্ঘদিনের চোটে থাকা পেসার তানজিদ হাসান সাকিবের মাঠে ফিরতে আরো ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ লাগতে পারে। হাড়ের চোট পুরোপুরি সেরে উঠলে বছরের শেষ দিকে তাকে আবার মাঠে দেখা যেতে পারে।
স্বস্তির খবর দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিং ও কাফের চোট থেকে দ্রুত সেরে উঠছেন এই বাঁহাতি পেসার। চলতি মাসের শেষ দিকে তার ফিটনেস পরীক্ষা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৮ আগস্টের পর তাকে আবার নির্বাচনের জন্য বিবেচনা করা যাবে।
সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনের প্রথম টেস্টে নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও লিটন দাসকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে। আর নাহিদকে পুরো সিরিজেই পাওয়া যাবে না, যা সফরের আগে টাইগারদের জন্য বড় ধাক্কা।



