আট বছর আগে কুয়ালালামপুরে ভারতকে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। এবার সেই সাফল্যের স্মৃতি সামনে রেখে আবারো এশিয়া কাপের মিশনে নামছে নিগার সুলতানার দল।
আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে হংকং ও থাইল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে নারী এশিয়া কাপের দশম আসর। বাংলাদেশের অবশ্য মাঠে নামতে অপেক্ষা করতে হবে আরো কয়েক দিন। ৩১ আগস্ট নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
টি-টোয়েন্টি সংস্করণের এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে আট দল। বাংলাদেশ রয়েছে ‘বি’ গ্রুপে। গ্রুপে তাদের অন্য তিন প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ‘এ’ গ্রুপে আছে ভারত, পাকিস্তান, হংকং ও থাইল্যান্ড।
প্রথম পর্বে প্রতিটি দল খেলবে তিনটি করে ম্যাচ। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল উঠবে সেমিফাইনালে। এরপর হবে ফাইনাল, ১৩ সেপ্টেম্বর। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরের দুই আসরে ফাইনালে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ।
এবার তাই পুরোনো সাফল্য ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি শেষ দুই আসরের ব্যর্থতা কাটানোর চ্যালেঞ্জও থাকছে নিগারদের সামনে।
তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। উরুর চোটে ২৫ আগস্ট দল থেকে ছিটকে গেছেন বাঁহাতি পেসার ফারিহা ইসলাম। একই চোটের কারণে সেপ্টেম্বরের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটেও খেলতে পারবেন না তিনি।
ফারিহার বদলি হিসেবে দলে জায়গা পেয়েছেন ১৭ বছর বয়সী ডানহাতি পেসার ফারজানা ইয়াসমিন। এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি তার।
এবারের আসরে সবচেয়ে সফল দল ভারত। সাতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত এবারো ফেবারিটদের তালিকায় রয়েছে। তবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তারা নয়। ২০২৪ সালে ভারতের মাটিতে ফাইনালে তাদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী এশিয়া কাপ জিতেছিল শ্রীলঙ্কা।
এবার এশিয়া কাপে অভিষেক হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ারও। বাছাইপর্বে তৃতীয় হয়ে মূল আসরে জায়গা করে নিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দলটি।
বাংলাদেশের সামনে তাই গ্রুপপর্বেই কঠিন পরীক্ষা। ৩১ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে শুরু হবে অভিযান। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা এবং ৮ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। তিনটি ম্যাচই দুবাইয়ে, বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।



