এই আছেন, এই নেই। জাতীয় দলে আসা যাওয়ার মাঝেই সময় কাটছে সৌম্য সরকারের। থিতু হতে পারছেন না মোটেও। কখনো নিজের ভুলে, কখনো পর্যাপ্ত সুযোগ না পেয়ে আছেন দুল্যমান অবস্থায়।
তবে একটা কথা ঠিক, দলের প্রয়োজন হলেই ডাকা হয় সৌম্য সরকারকে। ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি, কেউ চোটে পড়লেই ডাক পড়ে তার। তেমনি বাঁ-হাতি এই ওপেনারকে ডাকা হয়েছে টি-টোয়েন্টি দলে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চট্টগ্রামের তিন ম্যাচ সিরিজ শুরুর আগের দিন সৌম্য সরকারকে যুক্ত করা হয়েছে টি-টোয়েন্টি দলে। অবশ্য এর কোনো কারণ ব্যাখ্যা করেনি বিসিবি।
তবে সহজেই অনুমেয়, অধিনায়ক লিটন দাসের চোট নিয়ে শঙ্কা থাকার কারণেই শেষমুহূর্তে ডাকা হলো সৌম্যকে। ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে চোট পেয়ে ব্যাটিং ছেড়ে উঠে যান লিটন।
শেষদিকে মাঠে নেমে অবশ্য মিরপুরে ওয়ানডেতে ফিফটি-খরা ঘোচান। তবে ম্যাচ শেষে তাকে নিয়ে খুব একটা স্বস্তির খবর দিতে পারেননি ফিজিও। গুঞ্জন রয়েছে, প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দলে থাকছেন না তিনি।
আগামীকাল হয়তে দর্শক হয়েই থাকতে হতে পারে নিয়মিত অধিনায়ককে। সেক্ষেত্রে সহ-অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর প্রথম ম্যাচেই অধিনায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু হতে পারে তাওহীদ হৃদয়ের।
অবশ্য কী হচ্ছে, কী হবে- তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়ানো পর্যন্ত। বুধবার বেলা ২টায় চট্টগ্রামে মুখোমুখি হবে দু’দল।
বাংলাদেশ দলের স্কোয়াড
লিটন দাস (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, তাওহীদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরীফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, আব্দুল গাফফার সাকলাইন।


