তিন ভেন্যুতে এশিয়া কাপ আয়োজনের কথা ভাবছে বিসিবি

‘আমরা মিরপুর-চট্টগ্রাম ও সিলেটের কথা বিবেচনা করছি, যেগুলো আমাদের নিয়মিত আন্তর্জাতিক ভেন্যু। তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। যদি আগামী বছরের এশিয়া কাপ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়, তবে দর্শকরা টুর্নামেন্টটি উপভোগ করতে পারবেন।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বিসিবি
বিসিবি |সংগৃহীত

এশিয়া কাপের পরবর্তী আসরের জন্য মিরপুর-সিলেট ও চট্টগ্রামকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে এসব ভেন্যুর সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)।

ওয়ানডে ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টটি আগামী বছরের জুন-জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখনো এর আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঘোষণা করেনি এসিসি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বিসিবির নিরাপত্তা কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ জানান, এশিয়া কাপের জন্য দেশের নিয়মিত তিনটি আন্তর্জাতিক ভেন্যুর প্রস্তাব দিয়েছে এসিসি।

তিনি বলেন, ‘আমরা মিরপুর-চট্টগ্রাম ও সিলেটের কথা বিবেচনা করছি, যেগুলো আমাদের নিয়মিত আন্তর্জাতিক ভেন্যু। তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। যদি আগামী বছরের এশিয়া কাপ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়, তবে দর্শকরা টুর্নামেন্টটি উপভোগ করতে পারবেন।’

আহমেদ জানান, প্রস্তাবিত ভেন্যুগুলো সম্পর্কে আরো তথ্যের জন্য বিসিবির সাথে যোগাযোগ করেছে এসিসি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা প্রস্তাবিত তিনটি ভেন্যু সম্পর্কে আরো জানতে চেয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত করতে পারব।’

দীর্ঘ ১১ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ আয়োজনের আশা করছে বাংলাদেশ।

আয়োজক হওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে আহমেদ বলেন, স্বাগতিক হওয়ার সুযোগ পেলে টুর্নামেন্টটি সফলভাবে আয়োজন করতে বিসিবি কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এত বছর পর এশিয়া কাপ আবার বাংলাদেশে আসবে বলে আমরা আশাবাদী এবং আমরা দর্শক ও খেলাপ্রেমীদের জন্য একটি চমৎকার টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারব।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। আমাদের কিছু কার্যক্রম দেখলেই আপনারা বুঝতে পারবেন বিষয়টি কতটা ইতিবাচক। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, এখন বাকিটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।’ বাসস