জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে নামিবিয়ার দরকার ছিল ২৯ রান। হাতে তখনো ৭ উইকেট। উইন্ডহোকে নিজেদের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আবারো হারানোর দারুণ সুযোগই যেন তৈরি হয়েছিল স্বাগতিকদের সামনে। কিন্তু শেষ দিকে আরেকটু গতি বাড়াতে পারেনি নামিবিয়া। ২০ ওভার শেষে ২১৭ রানেই থেমে যায় তাদের ইনিংস। রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা জয় পায় মাত্র ১১ রানে। নিশ্চিত করে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল।
অথচ ম্যাচের শুরুটা ছিল পুরোপুরি দক্ষিণ আফ্রিকার দখলে। লুয়ান-দ্রে প্রিটোরিয়াস ও কনর এস্টারহুইজেনের ব্যাটে শুক্রবার উইন্ডহোকে উঠেছিল রানের ঝড়। দু’জনের উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৬৯ বলে আসে ১৫৬ রান।
এরপর প্রিটোরিয়াস নিজের ইনিংসকে নিয়ে যান আরো ওপরে। ৫৩ বলে ১০১ রান করে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম শতক তুলে নেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই তরুণ ওপেনার। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৮টি ছক্কা।
প্রিটোরিয়াসকে দারুণ সঙ্গ দেন এস্টারহুইজেন। ৪০ বলে ৮৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসে খেলেন তিনি প্রথম উইকেটের ১৫৬ রানের জুটিই মূলত বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। ৪ উইকেটে ২২৮ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
২২৯ রানের লক্ষ্য অবশ্য নামিবিয়াকে শুরুতেই ভড়কে দিতে পারেনি। বরং পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলে স্বাগতিকরা। জান ফ্রাইলিংক ও লর স্টেইনক্যাম্পের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১১৯ রান।
ফ্রাইলিংক ৩৬ বলে ৭২ রান করেন আর স্টেইনক্যাম্প ৪৪ বলে করেন ৬১। এক পর্যায়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে নামিবিয়া। কিন্তু ইনিংসের শেষ দিকে সেই চাপ ধরে রাখতে পারেনি তারা।
শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২১৭ রান করে থামে স্বাগতিকদের ইনিংস। ফলে ১১ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। অন্যদিকে এই হারে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে গেল নামিবিয়া।
এই জয়ে চার ম্যাচে তিন জয় নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকে ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। আগামী রোববার একই ভেন্যুতে হবে সিরিজের ফাইনাল।



