থিতু হয়ে গিয়েছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি, রান করছিলেন দেখেশুনে। অপেক্ষায় ছিলেন ফিফটি পূরণের। তবে স্বাদ পূরণ হতে দেননি নাহিদ রানা। ৬২ বলে ৪৭ রানে আটকে দেন তাকে।
সেই উইকেটের রেশ না কাটতেই ফের উদযাপনের উপলক্ষ এনে দেন মোসাদ্দেক। স্পিন ভেল্কিতে বোকা বানান ম্যাট রেনশকে। ৪ বলে ২ করে এলবিডব্লু হয়ে ফেরেন এই অলরাউন্ডার।
এদিকে পরের ওভারে এসে আবারো আঘাত আনেন নাহিদ রানা। এবার তার শিকার লিয়াম স্কট। তাতে ৩১ ওভার শেষে অজিদের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৭ উইকেট ১৩৬ রান। জয়ের জন্য ১১৪ বলে চাই ১৪৭ রান।
রান তাড়ায় মাত্র ২ রানেই অজিদের জোড়া উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম উইকেট আসে একদম প্রথম বলেই। তাসকিন আহমেদের বলে স্ট্যাম্প ভাঙে ম্যাথু শর্টের (০)।
পরের উইকেট নেন মোস্তাফিজ। ৬ বলে ১ রান করা মার্নাস লাবুশেনকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তিনি। বিপদে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। বিপদ বাড়তে পারতো আরো, সুযোগও এসেছিল।
চতুর্থ ওভারে মোস্তাফিজের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন কনোলি, তানজিদ তামিম সহজ ক্যাচটি নিতে পারেননি। জীবন পেয়ে অধিনায়ক জশ ইংলিসকে নিয়ে ইনিংসের হাল ধরেন তিনি।
দুজনের জুটিতে আর কোনো বিপদ ছাড়াই পাওয়ার প্লেতে ৫০ রান যোগ করে অজিরা। তবে পাওয়ার প্লে শেষ হতেই ভাঙে তাদের প্রতিরোধ। অজি অধিনায়ককে তুলে নেন নাহিদ রানা।
উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইংলিস। আউট হন ২৫ বলে ১৯ করে। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ৩ উইকেটে ৫৩। সেখান থেকে কনোলি ও ক্যারি মিলে দলকে ৯১ রানে পৌঁছান।
এরপরই আঘাত আনেন মোসাদ্দেক। ব্যাট হাতে দারুণ পারফর্ম করা এই অলরাউন্ডার বল হাতেও পেয়ে যান উইকেটের দেখা। তুলে নেন কনোলিকে। ৫০ বলে ৩৫ করে বোল্ড হন কনোলি।
এরপর ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে ইনিংস টানেন ক্যারি। এই মুহূর্তে গ্রিন অপরাজিত আছেন ২১ রান নিয়ে।



