বোলিংয়ে হতাশার পর মাহফিজুলের ব্যাটে লড়াইয়ে ইমার্জিং দল

মাহফিজুলের দৃঢ়তাতেই আপাতত ম্যাচে টিকে আছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশাল প্রথম ইনিংসের রান পেরোতে হলে তৃতীয় দিনে বড় জুটি গড়ার বিকল্প নেই।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ম্যাচের একটি মুহূর্ত
ম্যাচের একটি মুহূর্ত |নয়া দিগন্ত

দুই দিন ধরে প্রায় ১৩০ ওভার বোলিং করেও দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলকে অলআউট করতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের ৪৯৭ রানে ইনিংস ঘোষণার পর ব্যাট হাতে লড়াইয়ের আভাস দিয়েছে সফরকারীরা।

বিপরীতে দ্বিতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ১৪৪ রান করেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। এখনো পিছিয়ে ৩৫৩ রানে। মাহফিজুল অপরাজিত ৬১ রানে। তার সাথে ১১ রান নিয়ে আছেন ইফতেখার। নতুন দিনে তাদের দিকেই তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।

বেনোনিতে সোমবার ৪ উইকেটে ৩০৭ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল। দিনের শুরুতেই ৮৬ রান করা অধিনায়ক মিচেল ফন বুরেনকে বোল্ড করে বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন বাঁহাতি স্পিনার আবু হাশিম।

এরপর মইন খানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ২৩ রানে ফেরেন আন্দিলে সিমিলেন। তবে ডানিয়েল স্মিথ ও ডায়ান খালিম সপ্তম উইকেটে গড়েন ১৩০ রানের জুটি। খালিম ৮২ বলে ৬৯ রান করে ফিরলেও স্মিথ থামেন ৮৫ রানে।

তার বিদায়ের পরই ১২৯.৫ ওভারে ৮ উইকেটে ৪৯৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। হাশিম ১৪৪ রানে ৩টি ও মইন খান ৫৭ রানে ২ উইকেট নেন। আশরাফুল ও আমিনুল নেন একটি করে উইকেট।

বড় লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে না খেলা আশিকুর রহমানকে সাথেই নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ৬০ রান যোগ করেন মাহফিজুল ইসলাম। ১৯ রান করে আশিকুর ফিরলে ভাঙে জুটি।

এরপর আজিজুল হাকিমকে নিয়ে আরো ৫৯ রান যোগ করেন মাহফিজুল। ৩৫ রান করে আজিজুল ফিরলেও দিনের বাকি অংশ নিরাপদেই পার করেন মাহফিজুল ও ইফতেখার হোসেন ইফতি।

মাহফিজুলের দৃঢ়তাতেই আপাতত ম্যাচে টিকে আছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশাল প্রথম ইনিংসের রান পেরোতে হলে তৃতীয় দিনে বড় জুটি গড়ার বিকল্প নেই।