ইউক্রেনের জনপ্রিয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে আকস্মিকভাবে অপসারণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দেশটির বিভিন্ন শহরে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বেশিরভাগ তরুণ-তরুণীসহ অনেক বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তাদের হাতে ছিল ‘ফেদোরভকে সরানো চলবে না’ কিংবা ‘বিজয়ের পথে বাধা দেয়া বন্ধ করো’ লেখা নানা প্ল্যাকার্ড এবং ওই সময় তারা ‘লজ্জা! লজ্জা!’ বলে স্লোগান দেন।
ভলোদিমির জেলেনস্কির এই সিদ্ধান্তে দেশটির বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সামরিক বাহিনীর সদস্য ও নাগরিক সমাজের একাংশের মাঝে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ফেদোরভকে সরানোর পেছনে তার সাথে ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কির বিরোধ কাজ করেছে, এমন একটি আলোচনা চলছিল। পরে ফেদোরভ ও জেলেনস্কির বক্তব্যে সেই ধারণাই আরো জোরালো হয়।
বৃহস্পতিবার ফেদোরভ জানান, তিনি প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কি এবং চিফ অব দ্য জেনারেল স্টাফ আন্দ্রি হ্নাতভকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
একই দিন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের সাথে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি স্বীকার করেন, জেনারেল স্টাফ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে ‘কাঠামোগত দ্বন্দ্ব’ ছিল।
তিনি বলেন, তার মধ্যস্থতা ছাড়া সিরস্কি ও ফেদোরভ একসাথে কাজ করতে পারতেন না।
ফেদোরভ নিজেও সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট যখন জানিয়ে দিলেন যে তিনি সিরস্কিকে বদলাবেন না, তখন আমি বলেছিলাম যে তার সাথে সমন্বয় করে কাজ করবো।’
তবে তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমরা যেসব উদ্যোগ নিয়েছিলাম, সেগুলোর সবই আটকে দেয়া হয়েছিল।’
সূত্র : বিবিসি



