মুম্বাই ও গ্রেটার নয়ডা থেকে ৯.৪ কোটি রুপির মেথ জব্দ, ইসরাইলি নাগরিকসহ গ্রেফতার ৩

এক ধরনের কৃত্রিম মাদক মেথামফেটামিন বা 'মেথ'। এই মাদক কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে চরম মাত্রায় উত্তেজিত করে তোলার পাশাপাশি শরীরের ভয়াবহ ক্ষতি করে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় চালানো এক অভিযানে উত্তর প্রদেশের কারখানাটি থেকে এই মাদক জব্দ করা হয়
স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় চালানো এক অভিযানে উত্তর প্রদেশের কারখানাটি থেকে এই মাদক জব্দ করা হয়

মুম্বাই ও উত্তর প্রদেশের পরিকল্পিত শহর গ্রেটার নয়ডা থেকে মোট ৯ কোটি ৪০ লাখ রুপির মূল্যের 'মেথামফেটামিন' বা মেথ নামের মারাত্মক মাদক জব্দ করেছে মহারাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (এটিএস)। এই ঘটনায় এক ইসরাইলি পুরুষ এবং দুই বিদেশী নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় পরিচালিত এই অভিযানে আন্তঃরাজ্যভিত্তিক একটি বড় মাদক চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে।

ঘটনার শুরু মুম্বাই থেকে। মুম্বাইয়ের বান্দ্রা (পূর্ব) এলাকা থেকে প্রথমে ২০৫০ গ্রাম মেথ জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি রুপি। সেখানে গ্রেফতার হওয়া ইসরাইলি নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বেরিয়ে আসে আসল তথ্য। তিনি জানান, উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডার একটি কারখানা থেকে তিনি এই মেথামফেটামিন কিনেছিলেন।

এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এটিএস স্থানীয় পুলিশের সাথে নিয়ে গ্রেটার নয়ডার ওই কারখানায় এক ঝটিকা অভিযান চালায়। কারখানাটি থেকে আরো ২৬৮৮ গ্রাম মেথ জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য ৫.৪ কোটি টাকা। মাদক তৈরির বিপুল সরঞ্জামও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এক ধরনের কৃত্রিম মাদক মেথামফেটামিন বা 'মেথ'। এই মাদক কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে চরম মাত্রায় উত্তেজিত করে তোলার পাশাপাশি শরীরের ভয়াবহ ক্ষতি করে।

বড়সড় পর্যায়ের এ ধরনের অভিযানের মাত্র কয়েক দিন আগেই মিজোরামে এক অভিনব উপায়ে মাদক পাচারের চেষ্টা বানচাল করে আইনশৃঙ্ক্ষলা বাহিনী। গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মিজোরামের সেলিং এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সে তল্লাশি চালিয়ে ১৫ কেজি মেথামফেটামিন ট্যাবলেট জব্দ করা হয়, যার মূল্য ছিল ৪৫ কোটি রুপি।

ওই ঘটনায় এক নারীকে ভুয়া রোগী বানিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে বসিয়ে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। আসাম রাইফেলস ও ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্সের (ডিআরআই) যৌথ দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাদের ধরে ফেলে। ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স জব্দসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ডিআরআই-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সূত্র: দ্য হিন্দুস্তান টাইমস