উত্তরপ্রদেশে আরো একটি মাদরাসা সিলগালা

প্রশাসন আরো জানিয়েছে, প্রশাসনিক তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে একটি এফআইআর দায়ের করা হতে পারে। তদন্তের অগ্রগতি ও জমা পড়া নথি পর্যালোচনার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রতীকী ছবি

ভারতের উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে মাদরাসাগুলোর বিরুদ্ধে দেশটির প্রশাসনের নজরদারি আরো কড়া হয়েছে। দাসনার একটি মাদরাসা ভেঙে ফেলা এবং খোদা এলাকায় দুটি মাদরাসা সিল করার পর এবার ইন্দিরাপুরমের কানভানি গ্রামে অবস্থিত একটি মাদরাসা সিল করে দেয়া হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) দেশটির একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ভারত সরকারের দাবি করেছে যে, প্রতিষ্ঠানটি রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল এবং একাধিক বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা সংক্রান্ত মানদণ্ডও পূরণ করেনি। তাই সেটি সিল করা হয়েছে।

প্রশাসনের বক্তব্য, সংখ্যালঘু কল্যাণ বিভাগের অভিযানে ইন্দিরাপুরম থানার অন্তর্গত কানভানি এলাকার মাদ্রাসা "জামিয়া খালফা-এ-রশিদিন " সিল করা হয়।

তদন্তে দাবি করা হয়, মাদরাসাটির কোনো বৈধ রেজিস্ট্রেশন নেই এবং পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনও সংগ্রহ করা হয়নি। পুলিশের ডিসি ধাওয়াল জয়সওয়াল জানান, প্রতিষ্ঠানটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মানছিল না। পাশাপাশি সরকারি নথিতেও মাদরাসাটির কোনো বৈধ রেজিস্ট্রেশনের তথ্য পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই সংখ্যালঘু কল্যাণ বিভাগের সুপারিশে সিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তবে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কও শুরু হয়েছে। কারণ, রেজিস্ট্রেশন হয়নি এই ধরনের মাদরাসা সংক্রান্ত একটি মামলায় ইতোপূর্বে ইলাহাবাদ হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছিল যে শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশন না থাকার কারণে কোনো মাদরাসাকে বন্ধ করে দেয়া যায় না। যদিও এমন প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতি বা আর্থিক অনুদান দাবি করতে পারে না বলে আদালত জানিয়েছিল।

প্রশাসন আরো জানিয়েছে, প্রশাসনিক তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে একটি এফআইআর দায়ের করা হতে পারে। তদন্তের অগ্রগতি ও জমা পড়া নথি পর্যালোচনার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।