আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব পুলিশি মামলা অবিলম্বে তুলে না নিলে আবারো রাস্তায় নামার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একই সাথে আটক সব শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি। দ্য হিন্দুস্তান টাইমস সোমবার (২৭ জুলাই) এ কথা জানিয়েছে।
সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্যে এক বিবৃতিতে জানান, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যাতে নতুন করে কোনো অভিযোগ না আনা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংকে এ বিষয়ে নজর দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রাঙ্কা লেখেন, আন্দোলনকারীদের ওপর থেকে সব এফআইআর বা প্রাথমিক তদন্তের যে লিখিত অভিযোগ পুলিশ নথিভুক্ত করে, তা দ্রুত বাতিল করতে হবে। আটক শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দিতে হবে। সেই সাথে দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কিংবা বিজেপি-জোট শাসিত রাজ্যগুলোর পুলিশ যাতে চুক্তি অনুযায়ী ভবিষ্যতে আর কোনো নতুন মামলা না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে। তা না করা হলে সিজেপি আবারো আন্দোলনে বসতে বাধ্য হবে।
সিজেপির আরেক নেতা সৌরভ দাসও অনুরুপ বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানান, আন্দোলনকারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ধরে নিয়ে আটক বা গ্রেফতার করার যে খবর মিলছে, তা মেনে নেয়া যায় না।
আন্দোলন বা ধর্না তুলে নেয়ার আগে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, যন্তর মন্তরসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন ও সেবা দেয়া স্বেচ্ছাসেবকদের বিরুদ্ধে পুলিশ বা আদালত কোনো আইনি ব্যবস্থা নেবে না বলে সরকার তাদের কথা দিয়েছিল।
সৌরভ দাস আরো বলেন, পুরো পরিস্থিতির ওপর তারা কড়া নজর রাখছেন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ভারত সরকার এবং বিজেপি তথা এনডিএ জোটের সব রাজ্য সরকার দায়িত্বশীল আচরণ করবে এবং দেয়া প্রতিশ্রুতি সততার সাথে রক্ষা করবে বলেই তাদের প্রত্যাশা।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব পুলিশি মামলা অবিলম্বে তুলে না নিলে আবারো রাস্তায় নামার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একই সাথে আটক সব শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি। দ্য হিন্দুস্তান টাইমস সোমবার (২৭ জুলাই) এ কথা জানিয়েছে।
সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্যে এক বিবৃতিতে জানান, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যাতে নতুন করে কোনো অভিযোগ না আনা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংকে এ বিষয়ে নজর দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রাঙ্কা লেখেন, আন্দোলনকারীদের ওপর থেকে সব এফআইআর বা প্রাথমিক তদন্তের যে লিখিত অভিযোগ পুলিশ নথিভুক্ত করে, তা দ্রুত বাতিল করতে হবে। আটক শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দিতে হবে। সেই সাথে দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কিংবা বিজেপি-জোট শাসিত রাজ্যগুলোর পুলিশ যাতে চুক্তি অনুযায়ী ভবিষ্যতে আর কোনো নতুন মামলা না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে। তা না করা হলে সিজেপি আবারো আন্দোলনে বসতে বাধ্য হবে।
সিজেপির আরেক নেতা সৌরভ দাসও অনুরুপ বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানান, আন্দোলনকারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ধরে নিয়ে আটক বা গ্রেফতার করার যে খবর মিলছে, তা মেনে নেয়া যায় না।
আন্দোলন বা ধর্না তুলে নেয়ার আগে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, যন্তর মন্তরসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন ও সেবা দেয়া স্বেচ্ছাসেবকদের বিরুদ্ধে পুলিশ বা আদালত কোনো আইনি ব্যবস্থা নেবে না বলে সরকার তাদের কথা দিয়েছিল।
সৌরভ দাস আরো বলেন, পুরো পরিস্থিতির ওপর তারা কড়া নজর রাখছেন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ভারত সরকার এবং বিজেপি তথা এনডিএ জোটের সব রাজ্য সরকার দায়িত্বশীল আচরণ করবে এবং দেয়া প্রতিশ্রুতি সততার সাথে রক্ষা করবে বলেই তাদের প্রত্যাশা।



