ইসরাইলি বন্দীশিবিরে ডা. হুসাম, জীবন বাঁচানোর আকুতি গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের

বন্দী অবস্থায় ডা. হুসামের মাথা, চোখ এবং বুকে মারাত্মক আঘাতের খবর পাওয়া গেছে। উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ডা. হুসাম আবু সাফিয়া
ডা. হুসাম আবু সাফিয়া |সংগৃহীত

ইসরাইলি হেফাজতে থাকা ফিলিস্তিনি চিকিৎসক ডা. হুসাম আবু সাফিয়াকে 'অনেক দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই' দ্রুত মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘ দিন ধরে ইসরাইলি আটককেন্দ্রে বন্দী থাকা এই চিকিৎসকের জীবন নিয়ে চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) আল জাজিরা জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ইসরাইলি আটককেন্দ্রে বন্দী আছেন ডা. হুসাম। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ এক বার্তায় জানান, বন্দী অবস্থায় ডা. হুসামের মাথা, চোখ এবং বুকে মারাত্মক আঘাতের খবর পাওয়া গেছে। উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মুনির আল-বুরশ লিখেন, কামাল আদওয়ান হাসপাতালে চরম সংকটের মধ্যেও রোগীদের ছেড়ে যাননি ডা. হুসাম। আজ তিনি নিজেই বন্দিশালায় আটক। তার শারীরিক নিরাপত্তা ও বন্দীখানার পরিবেশ নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এখন আর ফাঁপা বিবৃতির সময় নয়, দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। ডা. হুসামের জীবন ও নিরাপত্তার পুরো দায় ইসরাইলি দখলদার কর্তৃপক্ষের। অবিলম্বে একজন স্বাধীন চিকিৎসকের মাধ্যমে তাকে পুরোপুরি পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তিনি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রেড ক্রস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, জাতিসঙ্ঘ এবং আন্তর্জাতিক চিকিৎসা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে চিকিৎসকের জীবন রক্ষায় অবিলম্বে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইসরাইলি হেফাজতে থাকা ফিলিস্তিনি চিকিৎসক ডা. হুসাম আবু সাফিয়াকে 'অনেক দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই' দ্রুত মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘ দিন ধরে ইসরাইলি আটককেন্দ্রে বন্দী থাকা এই চিকিৎসকের জীবন নিয়ে চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) আল জাজিরা জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ইসরাইলি আটককেন্দ্রে বন্দী আছেন ডা. হুসাম। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ এক বার্তায় জানান, বন্দী অবস্থায় ডা. হুসামের মাথা, চোখ এবং বুকে মারাত্মক আঘাতের খবর পাওয়া গেছে। উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মুনির আল-বুরশ লিখেন, কামাল আদওয়ান হাসপাতালে চরম সংকটের মধ্যেও রোগীদের ছেড়ে যাননি ডা. হুসাম। আজ তিনি নিজেই বন্দিশালায় আটক। তার শারীরিক নিরাপত্তা ও বন্দীখানার পরিবেশ নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এখন আর ফাঁপা বিবৃতির সময় নয়, দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। ডা. হুসামের জীবন ও নিরাপত্তার পুরো দায় ইসরাইলি দখলদার কর্তৃপক্ষের। অবিলম্বে একজন স্বাধীন চিকিৎসকের মাধ্যমে তাকে পুরোপুরি পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তিনি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রেড ক্রস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, জাতিসঙ্ঘ এবং আন্তর্জাতিক চিকিৎসা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে চিকিৎসকের জীবন রক্ষায় অবিলম্বে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।