ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য দেয়ার সময় ইরানের পরিবর্তে ভুলবশত ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব জাপান’ বলে উল্লেখ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। খবর ইন্ডিপেনডেন্ট।
একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, “ইসলামিক রিপাবলিক অব জাপান আমাদের লক্ষ্য করে ১১১টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তারা আমাদের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে হামলা চালায়। তবে সেগুলোর প্রতিটিই ভূপাতিত করা হয়েছে।”
পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ট্রাম্প মূলত ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান’ বলতে চেয়েছিলেন। তবে বক্তব্যে ভুলবশত তিনি ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব জাপান’ বলে ফেলেন। তার এ মন্তব্যের ভিডিও ক্লিপ মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এদিকে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং প্রয়োজন হলে ওয়াশিংটন আরো বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে।
তিনি বলেন, “আমরা এখনও সর্বোচ্চ মাত্রার হামলা চালাইনি। সর্বোচ্চ মাত্রা বলতে তাদের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অবকাঠামোকে বোঝায়। প্রয়োজন হলে আমরা সেগুলো ধ্বংস করে দেব। আমি তা করতে চাই না, তবে প্রয়োজন হলে অবশ্যই করব।”
পারস্য উপসাগরে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ নিয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, “গত রাতে আমরা খারগ দ্বীপে হামলা চালিয়েছি এবং এর একটি অংশ ধ্বংস করেছি। আমি বলেছিলাম, তেল স্পর্শ করো না, কারণ আমরা হয়তো খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেব। আমরা চাইলে দ্বীপটির দখল নিতে পারি। এটি ঠেকানোর মতো কিছুই তাদের নেই।”
ট্রাম্পের এসব বক্তব্য নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


