ইরানের যাবতীয় অর্থের ওপর এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'পুরোনিয়ন্ত্রণ' রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার কথায়, সংঘাতের মাঝে ওয়াশিংটন এখন কার্যত তেহরানের ব্যাংকার হিসেবে কাজ করছে।
টেলিভিশন উপস্থাপক ওয়েইন অ্যালিন রুটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'আমরা ওদের অর্থ নিয়ন্ত্রণ করছি। ওদের যা ছিল, তার পরিমাণ অনেক। পুরো টাকাটাই এখন আমাদের হাতে। আমিই এখন ওদের ব্যাংকার।'
ইরানের অর্থনীতি চরম সংকটে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'ওদের মুদ্রাস্ফীতি ৩০০ শতাংশে ঠেকেছে। মুদ্রার কোনো মূল্য নেই বললেই চলে। সৈন্যদের বেতন দিতে পারছে না, ফলে সেনারা কাজ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। এটা এভাবে চলতে পারে না।'
ইরান পরিস্থিতি সামলাতে তিনটি কৌশলের কথা জানান ট্রাম্প— চাপ বজায় রেখে স্বাভাবিকভাবে চলা, অত্যন্ত কঠিনভাবে হামলা চালানো, নাকি পুরোপুরি অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখা।
তিনি আরও বলেন, 'ইরানিরা খুব ছলচাতুরিপূর্ণ দরকষাকষিকারী। কোনো বিষয়ে একমত হওয়ার পর বাইরে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে তা অস্বীকার করে। এরা খুবই অসাধু।'
সংঘাতের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে ট্রাম্প পরিষ্কার করেন, তার প্রধান লক্ষ্য একটাই—ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে। মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের কারণেই তেহরান পরমাণু বোমা বানাতে পারেনি বলেও দাবি করেন তিনি।
সূত্র: আনদোলু



