হামাসকে অস্ত্র সমর্পণে রাজি করানো এবং গাজায় শান্তি পরিকল্পনা এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে প্রায় এক মাসের মধ্যে অগ্রগতি হতে পারে। সোমবার (১৭ আগস্ট) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত জ্যারেড কুশনার এ কথা জানান।
তিনি তেল আবিবে ফক্স নিউজকে বলেন, ‘আমরা মাত্র ৩০ দিনের মধ্যেই অগ্রগতি দেখতে পারি। আশা করছি, এর মাধ্যমে কিছু অস্ত্র সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু হবে।’
কুশনার আরো বলেন, ইসরাইলি বোমাবর্ষণের সময় সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে এবং সরবরাহ পাচারের জন্য হামাস যে সুড়ঙ্গগুলো নির্মাণ করেছিল, সেগুলো ভরাটের কাজ আগামী ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই অগ্রগতি হতে পারে। তবে এর জন্য উভয় পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
ট্রাম্পের জামাতা কুশনার জানান, তিনি ট্রাম্পের মিত্র ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে প্রায় চার ঘণ্টা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয়ে তাকে আশ্বস্ত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ইসরাইলি পক্ষের কিছু যৌক্তিক উদ্বেগ ছিল।’
কুশনার বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের হামলার জবাবে ইসরাইলি অভিযানে ধ্বংস হওয়া গাজা পুনর্গঠনে ট্রাম্প প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে তিনি বলেন, ‘নিরস্ত্রীকরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা গাজা পুনর্গঠনের অনুমতি দেবো না। এমন কোনো জায়গায় কেউ অর্থ বিনিয়োগ করতে চায় না, যা আবার সন্ত্রাসীদের দখলে চলে যাবে।’
কুশনার আরো বলেন, ‘কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি দেখা দিলে ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকারও আমরা সীমিত করব না। এর অর্থ কী, সেটিও আমাদের স্পষ্ট করতে হয়েছে। ইসরাইলের জন্য আমরা এটিকে উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক পরিস্থিতি বলে মনে করি।’
তিনি বলেন, আগামী ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হামাস হয় স্বেচ্ছায় নিরস্ত্রীকরণে এগিয়ে আসবে, নয়তো ‘উপযুক্ত উপায়ে কাজ শেষ করতে ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যদের কাছ থেকে আরো বেশি সমর্থন পাবে’।
কুশনার জানান, হামাসের কর্মকর্তাদের সাথে তার বৈঠক ‘খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ’ ছিল।
তবে তিনি বলেন, ‘একটি সন্ত্রাসী সংগঠনকে বিশ্বাস করা খুব, খুব কঠিন।’
সূত্র: বাসস



